দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবাব মালিককে মন্ত্রীর পদ থেকে সরানো যাবে না, সাফ জানিয়ে দিল এনসিপি। আর্থিক তছরুপ ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীকে গ্রেফতারের পরেই তাঁকে বরখাস্ত করার দাবি তুলেছিল বিরোধী দল বিজেপি। তাতেই সাফ না করেছে এনসিপি।
টানা সাত ঘণ্টা জেরার পরেই মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিককে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আর্থিক তছরুপের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন নবাব। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের অভিযোগও উঠেছে। উঠে এসেছে নবাবের দাউদ-ঘনিষ্ঠতার কথাও। বিশেষ আদালত আগামী ৩ মার্চ অবধি নবাব মালিককে হেফাজতে রাখারই নির্দেশ দিয়েছে।
নবাবের গ্রেফতারির পরে বিজেপি সুর চড়িয়েছিল, অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে মন্ত্রীকে। জঙ্গি দলের সঙ্গে যার যোগাযোগ তিনি মন্ত্রীর পদ সামলাবেন কী করে। বিরোধীদের দাবির পাল্টা এনসিপি জানায়, আমরা কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে ভয় পাই না। মাথাও নত করব না। মন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হবে না এনসিপি নেতা রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিককে।
এনসিপিতে যোগ দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রিত্ব সামলেছেন মালিক। উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, শ্রমের মতো দফতর সামলেছেন কংগ্রেস-এনসিপি সরকারে। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। এর পরেও ২০০৮ সালে শ্রম মন্ত্রী হয়েছিলেন নবাব। শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার সময়েও মালিক একাই জাতীয় সংবাদমাধ্যমে একের পর এক অভিযোগ তুলেছিলেন এনসিবি-র প্রাক্তন প্রধান সমীর ওয়াংখেড়েকে নিয়ে। মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, উদ ঘনিষ্ঠ একজনের কাছ থেকে সম্পত্তি কিনেছিলেন তিনি। বাজরদর থেকে অনেক কম দামে সেই সম্পত্তি তিনি কেনেন বলে জানা গিয়েছে।
রাজ্যের মন্ত্রী ছগন ভুজবল বলেছেন, মুম্বই বিস্ফোরণের সঙ্গে নবাব মালিকের নাম কখনও জড়ায়নি। এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন বলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।