শেষ আপডেট: 16 December 2019 13:55
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এদিন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে। তবে ছাত্রদের তরফে বলা হয়েছে, পরীক্ষার জন্য বড় কোনও কর্মসূচি নেওয়া যায়নি। ২০ ডিসেম্বর বড় মিছিল হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ক্যাম্পাসের ছাত্রছাত্রীরা মিলে ওই কেন্দ্রীয় মিছিল করবে বলে জানা গিয়েছে। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বেশ কিছুক্ষণ যানজটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাজারহাটের তথ্যপ্রযুক্তি পাড়া।
যাদবপুরের পড়ুয়ারাও রাস্তায় নেমেছিল এদিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট থেকে শুরু হয়ে যাদবপুর থানা হয়ে লর্ডসের মোড়ে গিয়ে শেষ হয় ওই মিছিল। বেশ কিছুক্ষণ পথ অবরোধও করে আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে উত্তর কলকাতার কলেজস্ট্রিট চত্বরে মিছিল করে এসএফআই-সহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। যোগ দিয়েছিল প্রেসিডেন্সি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সিইউ-এর গেটের সামনে বেশ কিছুক্ষণ অবরোধ করে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের কুশপুতুল পোড়ায় বিক্ষোভকারীরা।
রবিবারই তুমুল হাঙ্গামার খবর আসে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া এবং উত্তরপ্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। দু’জায়গাতেই প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রীদের উপর কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। চলেছে লাঠি। জলকামানও চলেছে কোথাও কোথাও। একাধিক পড়ুয়াকে আটক করা হয়। পরে অবশ্য সোমবার কাক ভোরে তাঁদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। জামিয়ার এক ছাত্রকে টেনে এনে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে পেটানোর ভিডিও-ও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। জামিয়া মিলিয়াতে গুলিও চলেছে বলেও অভিযোগ ছাত্রদের।
শুধু দিল্লি নয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে যায় নানা রাজ্যের ছবি-ভিডিওতে। পথে নামে হায়দরাবাদের মৌলানা আজাদ উর্দু ইউনিভার্সিটি, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি, বম্বে আইআইটি। বিরাট মিছিল সংগঠিত হয় কেরলের একাধিক জেলায়। কিন্তু অনেকেই ভেবেছিলেন, সোমবার হয়তো আরো তীব্রতার সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন আছড়ে পড়বে শহরের রাস্তায়। কিন্তু বিক্ষিপ্ত ভাবে কর্মসূচি হলেও সেই ঝাঁঝ দেখা গেল না এদিন।