
শেষ আপডেট: 3 May 2019 10:25
সেক্টর ফাইভে বন্ধন ব্যাঙ্কের হেডকোয়ার্টারে আনা হয়েছে গদি। যে কর্মীদের অনেক দূরে বাড়ি তাঁদের শুক্রবার বাড়ি যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সন্ধের পর থেকে বাংলায় ফণীর ব্যাপক প্রভাব শুরু হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ট্রেন-সহ সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই শনিবার যদি দূরবর্তী এলাকার কর্মীরা অফিসে না আসতে পারেন, সে কারণেই এই ব্যবস্থা বলে জানানো হয়েছে। শুধু বন্ধন ব্যাঙ্ক নয়, একাধিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার অফিসে, যেখানে সার্ভার রয়েছে, সেখানেই এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা।
সেক্টর ফাইভ ও নিউটাউনের একাধিক বেসরকারি সংস্থার দফতর জরুরি কারণে ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে দুপুরেই। শ্যামনগরের বাসিন্দা এক ইন্সিওরেন্স সংস্থার কর্মী দীপা দে বলেন, “ফণীর জন্য ছুটি দিয়ে দিয়েছে। বলা হয়েছে প্রয়োজনে সোমবারও বন্ধ থাকবে অফিস। তবে কী পরিস্থিতি হয় সেটা দেখে প্রতিটি কর্মীকে জানিয়ে দেওয়া হবে।”
এ দিকে সল্টলেক সিটি সেন্টারেও বেশ কিছু স্টোরের মহিলাকর্মীদের ছুটি দিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দুপুর বেলা এমন গণছুটির ফলে পরিবহণেও প্রভাব পড়েছে। একাধিক জায়গায় অটোর লম্বা লাইন এবং শাটল স্ট্যান্ড গুলিতেও বিপুল পরিমাণ ভিড়। এর মধ্যেই আবার অভিযোগ উঠছে, অটো চালকরা বেশি ভাড়া চাইছেন। হাওড়া সালকিয়ার বাসিন্দা প্রণয় দত্তগুপ্ত নামের এক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী বলেন, “কলেজ মোড় থেকে উলটোডাঙার ভাড়া ২৫ টাকা। সেখানে কেউ চাইছে ৬০ আবার কেউ ৭০ টাকা। বাড়ি তো ফিরতে হবে, তাই ওই তাকাতেই আসতে হল। কী আর করব!” সব মিলিয়ে ফণী আতঙ্কে জুবুথুবু দক্ষিণবঙ্গ।