
শেষ আপডেট: 9 February 2019 13:48
কিন্তু কৌতূহলের বিষয় হল, চিটফান্ড তদন্তের ব্যাপারে রাজীব কুমারের কাছে এ দিন কী কী জানতে চেয়েছে সিবিআই? এর যে কোনও স্পষ্ট খোঁজ পাওয়া গিয়েছে তা নয়। বরং বিভিন্ন মাধ্যমে এ ব্যাপারে যা যা বলা হচ্ছে তা অনেকটাই ভিত্তিহীন বলে সিবিআই ও পুলিশ সূত্রে দাবি।
তবে সিবিআইয়ের একটি সূত্রের মতে, পশ্চিমবঙ্গে চিটফান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত ব্যাপারটা অনেকটা ছড়ানো। সারদা, রোজভ্যালির নাম বার বার আলোচনায় উঠে এসেছে ঠিকই, কিন্তু এর সঙ্গে বহু মাথা জড়িত। সিবিআই এ ব্যাপারে তদন্তে অনেকটা এগিয়েছে। কিন্তু মাঝে কিছু তথ্য ও প্রমাণের অভাবে ‘মিসিং লিঙ্ক’ রয়েছে। যেহেতু রাজ্য সরকারের নির্দেশে রাজীব কুমারের নেতৃত্বে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম শুরুতে তদন্ত করেছিল এবং বহু তথ্য প্রমাণ, ইলেকট্রনিক এভিডেন্স, মোবাইল, কম্পিউটার, সিডিআর আটক করেছিল। তাই আশা করা হচ্ছে, এসআইটি-র তৎকালীন অফিসাররা সাহায্য করলে তদন্তের জট ছাড়াতে সুবিধা হবে।
প্রসঙ্গত, চিটফান্ড কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত কুণাল ঘোষকে রবিবার শিলংয়ে তাদের দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই। এর আগে কুণাল বহু বার অভিযোগ করেছিলেন, চিটফান্ডের তথ্য ও প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ। তাঁকে রাজীববাবুর মুখোমুখি বসিয়ে রাবিবার ফের জেরা করা হবে, নাকি পৃথক ভাবে জেরা করা হবে তা অবশ্য পরিষ্কার নয়। তবে কুণাল দ্য ওয়ালকে জানিয়েছেন, "চিটফান্ড কাণ্ডের তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই জামিন পেয়েছিলাম। তাই তদন্তে সবরকম সাহায্য করতে আমি প্রস্তুত।"
সিবিআই সূত্রে বলা হয়েছে, শিলংয়ে যখন কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে জেরা করা হচ্ছে, তখন দিল্লিতে সিবিআই দফতরে চিটফান্ড তদন্তের ব্যাপারে স্পেশাল টিমও রাখা হয়েছে। যাতে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে তাঁরা প্রয়োজন মতো সাহায্য করতে পারেন। তা ছাড়া শনিবার রাতে সিবিআইয়ের দুঁদে গোয়েন্দাদের আরও একটি টিমও শিলংয়ের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে বলে খবর।
সবমিলিয়ে কোথাকার জল এখন কোথায় গড়ায় সেটাই দেখার।