সরকারি সূত্রের খবর, অন্য সার্কেলের মতোই নিয়ম মেনেই এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে ডোমজুড় সার্কলেও। ওই বরাদ্দ থেকেই প্রতিটি গ্রামপঞ্চায়েত স্তরে প্রাথমিক স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা, যাতে এত দিন ধরে শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে যেভাবে স্পোর্টস হত, সে প্রথা বন্ধ হয়। কিন্তু অভিযোগ সেই বরাদ্দ টাকা দিতে চাইছেন না এসআই অমরেশ মজুমদার। তাই কার্যত জোর করে চাঁদা তোলা হচ্ছে, যাতে শিক্ষকরা অধিকাংশই অসন্তুষ্ট হলেও, চাপে পড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। শুধু তাই নয়, শিক্ষকদের অভিযোগ, তাঁদের দেওয়া চাঁদার বিনিময়ে কোনও বিলও দেওযয়া হয় না স্কুলের তরফে। ফলে এই টাকা তোলার কোনও প্রমাণই রাখা হচ্ছে না।