শেষ আপডেট: 31 May 2020 06:25
পাকিস্তানের মরু অঞ্চল থেকে ভারতের পশ্চিমাংশে কোটি কোটি পঙ্গপাল ঢুকছে।
একে করোনাভাইরাস দেশে কেন সারা বিশ্বে মহামারীর আকার ধারণ করেছে। তার উপরে আবার পশ্চিম ভারত কাঁপছে পঙ্গপালের আক্রমণে। এই অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়া চুপ করে থাকবে তা হতে পারে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ঘুরছে খনার বচন –
“দাবানল, শস্যহানি, ঝড়, মহামারী।
একত্রে ঘটিলে জেনো রাজা দুরাচারী।।”
এই মুহূর্তে দাবানল না হলেও মহামারী চলছে। ঘুর্ণীঝড় উমফানের দাপটে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফসলের ক্ষতিও বিপুল পরিমাণে হয়েছে। এখন আবার পশ্চিমপ্রান্তে ঢুকে পড়েছে পঙ্গপাল যা শস্যের পক্ষে ভীষণ ভাবে ক্ষতিকর। তাই এমন লেখা সোশ্যাল মিডিয়ার ঘুরছে।
বাইবেল ও কোরানে উল্লেখ রয়েছে পঙ্গপালের। বাইবেলে এক জায়গায় ধ্বংস প্রসঙ্গে পঙ্গপালের কথা বলা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে... শিলাবৃষ্টির পরে দেশে পঙ্গপাল আসবে। পঙ্গপাল পুরো দেশ ঢেকে ফেলবে। চার দিক থেকে এত পঙ্গপাল আসবে যে মাটি প্রায় দেখাই যাবে না। শিলাবৃষ্টির হাত থেকে যা কিছু বেঁচে যাবে সেসব খেয়ে ফেলবে পঙ্গপালের দল। কোনও গাছে একটা পাতা পর্যন্ত রাখবে না তারা।
তবে শুধুই নেতিবাচক দিক নয়, পঙ্গপালের একটা ইতিবাচক দিকও আছে। পালাউ নামে ছোট্ট একটা দ্বীপ পঙ্গপালকে নিয়ে কয়েক বছর আগে একটা মুদ্রা বের করেছিল। রঙীন স্মারক মুদ্রা যাকে ইংরেজিতে বলে কালার্ড কমেমোরেটিভ কয়েন। এই মুদ্রা শুধুমাত্র সংগ্রাহকদের জন্য। অর্থাৎ সরাসরি সরকারের থেকে কিনতে হবে সংগ্রাহককে। বাজারে বা দোকানে গিয়ে এটা দিয়ে কিছু কেনা যাবে না।
পঙ্গপালকে নিয়ে বেশ কয়েকটি দেশ ডাকটিকিট বের করেছে। এইসব ডাকটিকিট বিরল নয়। তবে পঙ্গপালের দল যখন ভারতের পশ্চিম দিয়ে ঢুকে পড়েছে তখন একবার সেইসব ডাকটিকিটে চোখ বোলানো যেতে পারে।
