ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে দেবাঞ্জনকে জেলে গিয়ে জেরা করবে ইডি, অনুমতি দিল আদালত
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Fake Vaccine Case) ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে (Debanjan Deb) জেলে গিয়ে জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। দেবাঞ্জন এখন পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। জেলে গিয়ে তাকে জেরা করার অনুমতি চেয়ে স্পেশাল কোর্টে আবেদন কর
শেষ আপডেট: 7 September 2021 08:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Fake Vaccine Case) ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে (Debanjan Deb) জেলে গিয়ে জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। দেবাঞ্জন এখন পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। জেলে গিয়ে তাকে জেরা করার অনুমতি চেয়ে স্পেশাল কোর্টে আবেদন করেছিল ইডি। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, দেবাঞ্জনকে যখন জেল হেফাজতে দেওয়া হবে তখন তাকে জেরা করতে পারবে ইডি।
আদালত জানিয়েছে, ইডির অফিসাররা তদন্তের স্বার্থে যে কোনও সময় দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করতে পারবেন। এর আগেও জেলে গিয়ে দেবাঞ্জনের সঙ্গীদের জেরা করেছিলেন ইডির আধিকারিকরা।
গত জুন মাসে কসবার একটি শিবিরে জাল টিকার দেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই গ্রেফতার হয়েছিলেন ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন। পরে তাঁর বাড়িতে ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক জাল নথি উদ্ধার করেছিলেন কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকেরা। পাওয়া গিয়েছিল ভুয়ো টিকার প্রচুর শিশিও। তদন্তে উঠে এসেছিল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ওই ঘটনার ৬৬ দিন পর এ দি আদালতে পেশ করা চার্জশিট পেশ করা হয়। পুলিশ সূত্রেই খবর, ওই চার্জশিটে সাক্ষী হিসেবে মোট ১৩০ জনের নাম রয়েছে। দেবাঞ্জন-সহ বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, খুনের চেষ্টা, প্রতারণা, বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ধারা-সহ মোট ১৪টি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কসবার শিবিরে সাধারণ মানুষকে যে টিকা দেওয়া হয়েছিল তা ভুয়ো ছিল কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে ওই টিকার নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট এবং রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলে। রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের তরফে লালবাজারকে পরে রিপোর্ট দিয়ে জানানো হয়েছিল, শিশির ভিতরে থাকা তরল কোভিশিল্ড নয়। বরং, তার মধ্যে অ্যামিকাসিনের অস্তিত্ব মিলেছে। সেরামও পরে নিশ্চিত করেছিল, কসবা শিবিরে ব্যবহৃত তরল তাদের তৈরি টিকা নয়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'