
শেষ আপডেট: 28 June 2020 10:30
সিংপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে তৈরি করা হয়েছিল অস্থায়ী মঞ্চ। সেখানেই রাখা হয় শহীদ জওয়ানের কফিন। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছিলেন সিআরপিএফের ডিজি প্রদীপ কুমার সিং, কমান্ডিং অফিসার বিনোদ কুমার, জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার-সহ সিআরপিএফ ও রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা।
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1277179749974945795
এ ছাড়াও এ দিন সিংপুর স্কুল মাঠে এসেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়া, অভিনেতা সাংসদ দেব, বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ, যুব কংগ্রেস নেতা শেখ সইফুল ও অন্যান্য আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। স্কুলের মাঠেই গান স্যালুট দেওয়ার পর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় শহিদ জওয়ানের শেষকৃত্য।
শহিদ জওয়ান শ্যামল কুমার দে-র প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তিনি ২০১৫ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তাঁর প্রথম পোস্টিং ছিল জম্মু-কাশ্মীরে। গত ডিসেম্বর মাসে তিনি বাড়িতে এসেছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি ছুটি চেয়ে দরখাস্ত করেন। কিন্তু এ বার আর বাড়ি আসা হল না তাঁর।
অনন্তনাগের বিজবেহরা এলাকায় হাইওয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল সিআরপিএফের ৯০ নম্বর ব্যাটেলিয়ন। তাদেরকেই নিশানা বানায় মোটরসাইকেলে চড়ে আসা জঙ্গিরা। গত শুক্রবার বেলা বারোটা নাগাদ হাইওয়ের উপর পেট্রোলিং করছিল নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআরপিএফের ৯০ নম্বর ব্যাটেলিয়ন। আচমকাই হামলা চালায় জঙ্গিরা। তখনই গুলি লাগে জওয়ান শ্যামল কুমার দাসের এবং এক পাঁচ বছরের শিশুর। গুরুতর আহত অবস্থায় দু’জনকেই বিজবেহরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।