মোবাইল দেব না, পুলিশকে ভরসা নেই, সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় আনিসের বাবা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুর তদন্ত করতে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট তৈরি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিএসপি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরা তদন্তপ্রক্রিয়া চালাবেন। কিন্তু রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই বলে ফের দাবি
শেষ আপডেট: 22 February 2022 05:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুর তদন্ত করতে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট তৈরি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিএসপি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরা তদন্তপ্রক্রিয়া চালাবেন। কিন্তু রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই বলে ফের দাবি করলেন আনিসের বৃদ্ধ বাবা সালেম খান। তাঁর দাবি, পুলিশই মেরেছে আনিসকে। তাই পুলিশের ওপর ভরসা করা যাবে কেমন করে? সিবিআই-কে দিয়েই তদন্ত করানোর আবেদন করেছেন আনিসের বাবা।
আনিস খানের মৃত্যুর পরে তিন দিন কেটে গেছে। এখনও ধরা পড়েনি অভিযুক্তরা। আনিসের বাবা বলছেন, পুলিশকে সবরকমভাবে সাহায্য করা হবে। কিন্তু সিবিআই-কে দিয়েই তদন্ত করানোর দাবি গোটা পরিবারের। বৃদ্ধ সালেমের বক্তব্য, ঘটনার দিন পুলিশের বেশেই এসেছিল আততাতীয়রা। তারা দুষ্কৃতী ছিল নাকি পুলিশ, তা জানা যায়নি এখনও। যদি পুলিশই এনকাউন্টার করে তাহলে তদন্তে ভরসা করা যাবে কেমন করে। পুলিশই মেরেছে, এদিকে তদন্তও পুলিশই করছে।
আনিস খানের মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আবেদন গ্রহণ করেছে। তবে ছাত্রনেতার মৃত্যুতে যা যা অভিযোগ উঠেছে তার সবটাই লিখিত আকারে পেশ করার নির্দশ দিয়েছে। আনিসের বাবা বলছেন, পুলিশ মোবাইল ও অন্যান্য নথি চেয়েছে। কিন্তু সেগুলো পুলিশের হাতে তুলে দিতে চায় না পরিবার। দাবি, সমস্ত নথি পেয়ে গেলে তা নয়ছয় হতে পারে। মোবাইলও পুলিশকে দিতে চান না বলেই জানিয়েছেন আনিসের বাবা। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ সমস্ত নথি পেয়ে গেলে গোটা ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। তাই নথি জমা করতে হলে তাঁরা আদালতেই করবেন।
আনিসের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। আইএসএফ ও বাম সংগঠনগুলির তদন্তের দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে বৈঠকে বলেছেন, আনিসের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত হবে। আনিসের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে দেখার জন্য মুখ্য সচিব, ডিজি ও সিআইডিকে নিয়ে স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেটিভ টিম তথা সিট গঠন করা হয়েছে। তাদের ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট দিতে হবে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'