গত ১৫ দিন ধরে বালাসন সেতুর ওপরে হিউমপাইপ বসিয়ে বিকল্প পথ তৈরির কাজ জোরকদমে চলেছে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাস্তার মূল অংশের কাজ প্রায় শেষ হবে।

শেষ আপডেট: 22 October 2025 19:55
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। চলতি সপ্তাহের শেষেই শুরু হতে পারে শিলিগুড়ি-মিরিক যান চলাচল। স্থায়ী সেতু সংস্কারের কাজ এখনই সম্ভব না হওয়ায় প্রশাসন বিকল্প রাস্তার মাধ্যমে ছোট যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেছে।
গত ৫ অক্টোবর লাগাতার ভারী বর্ষণে বালাসন নদীর জল বেড়ে ভেঙে পড়ে দুধিয়া সেতু। ফলে থমকে যায় শিলিগুড়ি মিরিক যান চলাচল। পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের অসুবিধায় পড়েন। নদীর এপার ও ওপারের মানুষদের যোগাযোগও ধাক্কা খায়। স্থায়ী সেতু সংস্কারের কাজ এখনই সম্ভব না হওয়ায় প্রশাসন বিকল্প রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করে।
গত ১৫ দিন ধরে বালাসন সেতুর ওপরে হিউমপাইপ বসিয়ে বিকল্প পথ তৈরির কাজ জোরকদমে চলেছে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাস্তার মূল অংশের কাজ প্রায় শেষ হবে। এরপর মাটি ফেলে রাস্তা শক্ত করা হবে এবং পরীক্ষামূলকভাবে ছোট যানবাহন চলাচল শুরু হবে।
মিরিক পুরসভার প্রশাসক এলএন রাই বলেন, দুধিয়ার এই পথের মাধ্যমে মিরিক ও শিলিগুড়ির যোগাযোগ দ্রুত স্বাভাবিক করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা আশা করছি, এই সপ্তাহের মধ্যেই এই বিকল্প সড়ক চালু করা সম্ভব হবে।” তিনি জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের পাইপলাইন-সহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিকাঠামো তৈরির কাজও সমান্তরালভাবে চলছে। প্রায় ২২০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই বিকল্প রাস্তা দিয়ে প্রথম পর্যায়ে ছোট গাড়ি চলাচল করবে। পরিস্থিতি অনুকূলে গেলে বড় যানবাহনও চলাচলের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। বিকল্প রাস্তা চালু হলে দুধিয়া ও মিরিক অঞ্চলে স্বস্তি ফিরবে এবং পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন যাতায়াত সহজ হবে।
বালাসন নদীর উপর এই সেতু ভেঙে মিরিকের লাফইলাইন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ৬ অক্টোবর থেকে হিউমপাইপ বসিয়ে নতুন অস্থায়ী সেতু তৈরির কাজ শুরু করে পূর্ত দফতর। কিন্তু নদীতে জলের স্রোত এতটাই বেশি ছিল যে কাজ করতে গিয়ে বেগ পেতে হয়। নদীতে এখনও স্রোত থাকলেও লোহার জালি এবং বোল্ডার দিয়ে বাঁধ তৈরির কাজও অনেকটাই এগিয়েছে।