
শেষ আপডেট: 17 February 2023 06:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইএসএফ নেতা নওসাদ সিদ্দিকীর (Naushad Siddiqi) 'ঘনিষ্ঠ' শেখ শামসুরের বিরুদ্ধে এখনই পুলিশ কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না, জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। নওসাদের সঙ্গে নাম জড়িয়ে গিয়েছিল শামসুরের। পুলিশের দাবি ছিল, ভাঙরের বিধায়কের চ্যাট ঘেঁটে সামনে এসেছে কিছু বিস্ফোরক তথ্য। যা খতিয়ে দেখতেই ডেকে চেন্নাই থেকে ডেকে পাঠানো হয় শামসুরকে।
লালবাজারের তলবের পরেই গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন চেন্নাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শামসুর। শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানিতে শামসুরের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল একজন ব্যবসায়ী। তাঁর সঙ্গে অনেকের যোগাযোগ থাকতে পারে। নওসাদের ফোনে তাঁর নাম পেয়েই শামসুরের চেন্নাইয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কলকাতা পুলিশ। তারপরই ডেকে পাঠানো হয়।
রাজ্যের তরফে এজি আদালতে জানান, নওসাদের বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের হয়েছে তাতে দু'জনের নাম আছে। সেই দু'জনের জবানবন্দিতেই মামলাকারীর (পড়ুন শেখ শামসুর) নাম উঠে এসেছে। তাই পুলিশ তাঁকে সামনাসামনি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।
যা শুনে এদিন বিচারপতি জানতে চান, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কেন জেরা সম্ভব নয়? সেই প্রশ্নের উত্তরে এজি জানান, যদি কোনও নথির প্রয়োজন হয়, তবে তা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেওয়া অসম্ভব।
যদিও রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি মান্থা জানান, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই হাজিরা দেবেন আবেদনকারী। যদি পুলিশের কোনও নথির প্রয়োজন হয় তবে ৭২ ঘণ্টা আগে সেটা নোটিস দিয়ে জানতে হবে। শুধু তাই নয়, হাইকোর্টে আরও বলে, যদি পুলিশ মনে করে আবেদনকারীকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন তবে আদালতে পুলিশকে আবেদন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশ নওসাদের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশের দাবি, নওসাদের সঙ্গে তাঁর বন্ধু শামসুরের দীর্ঘ চ্যাট পেয়েছে তারা। নওসাদের অ্যাকাউন্টে ওই ব্যক্তি বড় অঙ্কের টাকাও দিয়েছিলেন। একুশের ভোটের আগে এই টাকাপয়সা লেনদেন হয়েছিল বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল।
এই লেনদেনের কারণ জানতেই চেন্নাই গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের একটি দল। তারপর শামসুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয়। শামসুরের দাবি, নওসাদের সঙ্গে তাঁকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
খেলনা বাঁশি আটকে গিয়েছিল গলায়, জটিল অপারেশনে শিশুর প্রাণ বাঁচাল মালদা মেডিক্যাল কলেজ