
শেষ আপডেট: 17 August 2023 10:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur student death) ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে আন্দোলিত সমাজ। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব বিভিন্ন মহল। কর্তৃপক্ষের (Jadavpur University) গাফিলতি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এমন আবহে যাদবপুরের ব়্যাগিং অভিযোগের স্থায়ী সমাধানে বড় প্রশ্ন সামনে আনলেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী (Nausad Siddiqui)।
নওসাদের (Nausad Siddiqui) বক্তব্য, “এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই সিস্টেমটা চলে আসছে। এই ব়্যাকেটটা ভাঙা দরকার। এর জন্য সর্বপ্রথম দায়ী অথরিটি (Jadavpur University) । ওরা সক্রিয় থাকলে এই ঘটনা ঘটতো না। যে মারা গেল সেও মেধাবী, যারা অভিযুক্ত তারাও মেধাবী। তাই এই ছেলেগুলো জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কীভাবে এমন ক্রিমিনাল মাইন্ডেড হয়ে যাচ্ছে, কারা ব্রেন ওয়াশ করছে, এর তদন্ত হওয়া দরকার।“

এদিন নদিয়ার হাঁসখালির বগুলা গ্রামে নিহত ছাত্রের বাড়িতে গিয়েছিলেন নওসাদ। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। সেখানেই ভাঙড়ের বিধায়ক বলেন, “এতবড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে আমরা সবাই হইহই করছি। মফস্বলেও ব়্যাগিংও হয়। সেখানে হয়তো পার্টির রঙ দেখে ব়্যাগিং হয়। শিক্ষামন্ত্রী এবং রাজ্যপালের এটা দেখা উচিত। অবিলম্বে অ্যান্টি ব়্যাগিং কমিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হোক। কারণ, ব়্যাগিং কখনওই সুস্থ মানসিকতার বর্হিপ্রকাশ হতে পারে না।”
যাদবপুর কাণ্ডের অগ্রগতির দিকে সরাসরি নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বলেছেন নিহত ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে। নওসাদ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এটা দেখছেন, আমি আশা করব উনি স্বল্প সময়ের মধ্যে রাজনীতির রঙ না দেখে দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।” যাদবপুরে অবিলম্বে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোরও দাবি জানিয়েছেন নওসাদ। তাঁর কথায়, ‘ওটা তো বাড়ির বেডরুম নয়, যে সিসিটিভি বসাতে দেবে না।’
আরও পড়ুন: যাদবপুরের হস্টেলে বসত নেশার আসর, নজরদারি করতে গেলে গালিগালাজ করা হত : হস্টেল সুপার