
শেষ আপডেট: 8 July 2023 07:09
দ্য ওযাল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট করার দাবিতে আদালতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আদালতের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু শনিবার সকালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (WB Panchayat Election 2023) ভোট গ্রহণ শুরু হতেই বহু বুথে দেখা মেলেনি সেন্ট্রাল ফোর্সের। তারই জেরে নন্দীগ্রামের (Nandigram) দুটি বুথে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দিল বিজেপি।
তাঁদের দাবি, সেন্ট্রাল ফোর্স (Central Force) এলে তবেই চালু করতে দেওয়া হবে ভোট দান। ওই বুথেই বাড়ি, নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা, বিধানসভা ভোটে মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সুফিয়ানের। ফলে অন্যদের মতো সুফিয়ানও ভোট দিতে পারেননি। ‘সেন্ট্রাল ফোর্সের দায়িত্ব তো কমিশনের এবং হাইকোর্টের। ভোটার হিসেবে কেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে না’- প্রশ্ন তুলে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সুফিয়ান। ভোট প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানাতে থাকেন।
পাল্টা হিসেবে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বরা জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে ভোট চালু করতে দেওয়া হবে না। তর্কাতর্কিকে ঘিরে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। প্রিসাইডিং অফিসার জানান, ‘ভোট প্রক্রিয়া বন্ধের কথা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি দেখছেন। এর বাইরে কিছু বলতে পারব না।’
পরে সুফিয়ান বলেন, “এখানে কোনও অশান্তি নেই। তবু বিজেপি পরিকল্পিতভাবে গোলমাল তৈরি করতে চাইছে। ওদের কথা শুনে প্রিসাইডিং অফিসার ভোট বন্ধ রেখেছেন। প্রশাসনকে জানিয়েছি। ব্যবস্থা নিলে ভোট দেব।” পাল্টা হিসেবে বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট মানেই ছাপ্পা। তাই ভোট বন্ধ রাখা হয়েছে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে ক্রমেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে একদা জমি আন্দোলনের গর্ভগৃহে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই তল্লাটের বিধায়ক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। স্বাভাবিকভাবে, নন্দীগ্রামের ভোটকে ঘিরে বাড়তি কৌতূহল রয়েছে রাজনৈতিক মহলেরও।
আরও পড়ুন: মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে ছাপ্পা ভোট দিয়ে চলে গেল’, আতঙ্কের কথা শোনালেন প্রিসাইডিং অফিসার