
শেষ আপডেট: 11 April 2022 14:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে ফের ধর্ষণ। এবার শিরোনামে নামখানা (namkhana gangrape)। নিকট আত্মীয়ের দ্বারা ধর্ষিতা হলেন গৃহবধূ। প্রমাণ লোপাটের জন্য তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে ধর্ষকরা। শেষ পর্যন্ত পরিবারের অন্যরা এসে পড়ায় প্রাণে বাঁচেন নামখানার ওই মহিলা।
আরও পড়ুন: বায়ুসেনার কপ্টার থেকে ছিটকে পড়ে মৃত্যু! দেওঘরের উদ্ধারকার্যে সাংঘাতিক ঘটনা, দেখুন ভিডিও
নামখানার দ্বিতীয় ঘেরি এলাকার ঘটনা (namkhana gangrape)। এই ঘটনায় ওই বধূর ভাসুর ও তার বেয়াইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে শনিবার ভোররাতে। অভিযোগ, রাত তিনটে নাগাদ শৌচকর্মের জন্য বাথরুমে যাবেন বলে ওই বধূ ঘর থেকে বের হতেই তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ভাসুর। সঙ্গে আরও তিন-চারজন ছিল বলে অভিযোগ। তারা ওই মহিলার হাত-পা, মুখ বেঁধে ওই বাড়িরই দোতলায় নিয়ে যায়। সেখানে চলে পাশবিক অত্যাচার। গণধর্ষণ করা হয় তাঁকে।
সেই সময়ে ভাসুর ও তার বেয়াইকে চিনে ফেলেন ওই মহিলা (namkhana gangrape)। যদিও বাকিদের তিনি চিনতে পারেননি। ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য ওই মহিলার গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। এমনকি ওই বধূর গোপনাঙ্গেও তারা কেরোসিন ঢেলে দেয় বলে পরিজনদের দাবি!
কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ওই মহিলা জানিয়েছেন তাঁর গায়ে আগুন লাগানোর মুহূর্তে তিনি তারস্বরে চিৎকার করে ওঠেন। সেই আর্তনাদ শুনতে পেয়ে ছুটে আসেন পরিবার ও আশেপাশের মানুষ। তাঁদের দেখেই ভাসুর সহ বাকিরা চম্পট দেয়।
সামাজিক অস্বস্তির কারণে ওই বধূ প্রথমে বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু শনিবার সন্ধে থেকেই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। পরিজনরা প্রথমে তাঁকে নামখানা ব্লক হাসপাতলে নিয়ে যায়। সেখানে শারীরিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে তাঁকে কাঁদতে মহকুমা হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসকরা। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। সর্বাঙ্গে কেরোসিন তেল ঢেলে দেওয়ার কারণে সারা গায়ে ফোস্কা পড়েছে।
পুলিশ ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। সোমবার বিকেলে এই গণধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ভাসুর অমল খাটুয়া ও তার বেয়াই কার্তিক মাইতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের জেরা করে বাকিদের ধরা হবে বলে জানিয়েছে তারা।