
শেষ আপডেট: 20 October 2019 18:30
ঘটনার সূত্রপাত মাস দুয়েক আগে থেকে। গ্রামবাসীদের দাবি, ওই বৃদ্ধা নাকি ভূত পুষতেন। তবে ভূত একটি না একাধিক, সেটা অবশ্য জানা যায়নি। থুড়ি দেখাও যায়নি। তবে ভূতেরা যে ঘরে ঢুকে পড়ছে এটা বেশ জোরের সঙ্গেই দাবি করেছেন গ্রামবাসীরা। এই ভূত ঢুকিয়ে দেওয়ার ‘অপরাধে’ ওই পরিবারকে আগেই একঘরে করেছিল গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, ইদানীং কালে ভূতের উপদ্রব নাকি বেশ বাড়ে। গ্রামের বেশ কয়েকজন মহিলার মৃত্যু হয়। অভিযোগ, ভূতেই নাকি মেরেছিল তাঁদের। গ্রামবাসী শঙ্কর রাজোয়ারের দাবি, "ভূতে আমার পরিবারকে মেরে ফেলেছে। আশপাশের গ্রামের কয়েকজনকেও মেরেছে। ওই পরিবারই দায়ী এর জন্যে।"

পুলিশ জানিয়েছে, এক মহিলার সারা গায়ে আঁচড়ে কামড়ে দেওয়া হয়েছে। একজনের কান কেটে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। বাকিদের কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। শান্তিপুর সায়েন্স ক্লাবের সদস্যেরা জানিয়েছেন, এটা স্রেফ কুসংস্কার। মানসিক ব্য়ধিতে ভুগছেন গ্রামবাসীরা। এই ভূতের ধারণা এতটাই চেপে বসেছে তাঁদের মনে যে কিছুতেই এই ভুল ভাঙানো সম্ভব হচ্ছে না।