
শেষ আপডেট: 22 September 2019 17:17
পরিবার সূত্রের খবর, ১৪ সেপ্টেম্বর অভিযাত্রী দলটি রোটাং পাস পেরোয়। সে দিনই সাহেবের সঙ্গে শেষ বার কথা হয়েছিল পরিবারের। সাহেব জানান, আর নেটওয়ার্ক থাকবে না। অভিযান শেষ হলে ফের বাড়িতে ফোন করবেন তিনি।
এর পরে পরিকল্পনা অনুয়ায়ীই ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় বেস ক্যাম্পে পৌঁছয় অভিযাত্রী দলটি। জানা যায়, সেখানে পৌঁছনোর পরেই হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল। কেন এমন হল, তা বুঝতেই খানিকটা সময় যায়। তার পরেই তাঁকে নামানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু নামাতে যেটুকু সময় লাগে, তত ক্ষণে মৃত্যু হয়েছে সাহেবের। পরে চিকিৎসকেরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
আপাতত হিমাচলের কাজা শহরের একটি মর্গে রয়েছে সাহেবের দেহ। সেখান থেকে কী ভাবে কৃষ্ণনগরে দেহ ফেরানো হবে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে খুব তাড়াতাড়িই সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনিক স্তর থেকে।
পর্বতারোহী মহল মনে করছে, হয়তো কোনও অসুস্থতা নিয়েই পাহাড়ে চলে গিয়েছিলেন সাহেব। যাওয়ার আগে ঠিকঠাক শারীরিক পরীক্ষা করলে হয়তো ধরা পড়ত সেই অসুস্থতা। পাহাড়ের বেশি উচ্চতায় পৌঁছনোর পরে শারীরিক অনেক প্যারামিটারই বদলে যায়। চূড়ান্ত শারীরিক ফিটনেস না থাকলে তা অনেক সময়েই বড় বিপদ ডেকে আনে। এ ক্ষেত্রেও হয়তো তা-ই হয়েছিল।
