
শেষ আপডেট: 14 March 2023 06:50
তৃণমূল কংগ্রেসের ৪১ জন নেতা নেত্রীর পুলিশি নিরাপত্তা (Police Protection) তুলে নিল নবান্ন (Nabanna)। এই ৪১ জন কেউই খুব বড় মাপের নেতা বা নেত্রী নন। তাঁরা পুরসভার চেয়ারম্যান, কেউ বা কাউন্সিলর। কেউ বা প্রাক্তন বিধায়ক বা তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন জেলা সভাপতি। এতদিন ধরে একজন করে পুলিশ কর্মীকে এই সব নেতানেত্রীর নিরাপত্তার জন্য সর্বক্ষণের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল। রবিবার রাতে পুলিশের উপরতলা থেকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই সব পুলিশ কর্মীকে ব্যারাকপুর পুলিশ লাইনে রিপোর্ট করতে হবে।
সরকারি ওই নির্দেশ ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে এই ৪১ জন নেতার অধিকাংশই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের নেতা বা নেত্রী। আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক ও জেলা সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীর মতো হাতেগোণা কয়েকজন বাইরের নেতার নাম তালিকায় থাকলেও দেখা যাবে, তাঁদের বসতবাড়ির ঠিকানা উত্তর ২৪ পরগনা।
যে সব নেতানেত্রীর নাম ওই তালিকায় রয়েছে তাঁদের অন্যতম হলেন, নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়, খড়দায় প্রয়াত তৃণমূল নেতা কাজল সিনহার স্ত্রী নন্দিতা সিনহা, হালিশহর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ, ব্যারাকপুর পুরসভার কাউন্সিলর তপন দে ওরফে টোটা, ভাটপাড়ার কাউন্সিলর জীতেন্দ্র সাউ, খড়দহ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সায়ন মজুমদার প্রমুখ। হিসাব মতো ভাটপাড়া, জগদ্দল, নৈহাটি, বীজপুর, হালিশহর, খড়দহ, বরানগরের মতো পুরসভার বহু কাউন্সিলরের পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন এই পদক্ষেপ?
এর জবাব স্পষ্ট করে সরকারি তরফে বলা হয়নি। তবে সূত্রের মতে, অর্জুন সিং বিজেপি থেকে তৃণমূলের ফেরার পর এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। কারণ, ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপির সাংসদ অর্জুন সিং ও তাঁর বাহিনীর সঙ্গে তৃণমূলের সংঘাত ছিল। প্রায় দিন বোমাবাজি, গুলি চলার ঘটনা ঘটছিল। দুই পক্ষের সংঘাতে অনেকে আহতও হয়েছে। এই কারণেই সম্ভবত ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের অন্তত প্রায় ৪০ জন নেতা নেত্রীকে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। অর্জুন খাতায়কলমে বিজেপিতে থাকলে প্রায় এক বছর হতে চলল তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ফলে ব্যারাকপুরে আর সংঘাতের পরিস্থিতি নেই। বোমাবাজি, অশান্তির কথাও বিশেষ শোনা যাচ্ছে না। এই কারণেই সম্ভবত ৪১ জন নেতা নেত্রীর পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নিল সরকার।
বিয়ের দিনই চাকরি গেল বরের! জলপাইগুড়ির প্রণবের প্রাপ্ত নম্বর ১৭, বেড়ে হয়েছিল ৫২