এক বর্ষায় ধুয়ে যাচ্ছে রাস্তা, ঠিকাদারদের রুখতে কড়া নবান্ন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপরটা চিকন-চাকন, ভিতরটা খড়ের গাদন। অনেকে বলেন বাংলার এই প্রবাদ বাক্যই বাংলার গ্রাম-শহরের বহু ঠিকাদারদের মূলমূন্ত্র। আর এই মন্ত্রে দীক্ষিতদের আটকাতেই এ বার কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন।
এ বার আর কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পেমেন্ট
শেষ আপডেট: 4 August 2018 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপরটা চিকন-চাকন, ভিতরটা খড়ের গাদন। অনেকে বলেন বাংলার এই প্রবাদ বাক্যই বাংলার গ্রাম-শহরের বহু ঠিকাদারদের মূলমূন্ত্র। আর এই মন্ত্রে দীক্ষিতদের আটকাতেই এ বার কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন।
এ বার আর কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পেমেন্ট পাবেন না ঠিকাদাররা। গত ৫ জুলাই পূর্ত দফতরের জারি করা সার্কুলারে তেমনটাই জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরকে। এতদিন ওই সার্কুলারের কথা গোপন থাকলেও শনিবার তা প্রকাশ্যে আসে।
পূর্ত দফতর ওই সার্কুলারে জানিয়ে দিয়েছে, প্রকল্পের নকশা, পরিকল্পনায় দফতরের আধিকারিকরা ছাড়পত্র দিলেই তবে শুরু হবে কাজ। কাজ শেষ হওয়ার পর সন্তোষজনক মনে হলে তবেই টাকা দেবে অর্থ দফতর।

প্রসঙ্গত, সরকারি বিভিন্ন কাজে বরাত পাওয়া ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কাজের গুণগত মান নিয়ে নানান প্রশ্ন রয়েছে। ৬ মাস আগে পিচ হওয়া রাস্তা চার দিনের বৃষ্টিতেই দাঁত-কপাটি বের করে ফেলে। রাস্তা ছাড়াও গ্রাম-শহরে পঞ্চায়েত এবং পৌরসভার মাধ্যমে হওয়া বিভিন্ন সৌন্দর্যের কাজেও এই অভিযোগ রয়েছে। অনেকের মতে ঠিকাদারদের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের ঘুঘুর বোঝাপড়া রয়েছে। আর সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতেই এ বার পদক্ষেপ নিল নবান্ন।
বিধানসভার বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “যারা টেন্ডার ডাকে তারাও তৃণমূল। আবার যারা টেন্ডার পায় তারাও তৃণমূল। সরকারি কাজের মান খারাপ সবাই দেখতে পাচ্ছে। এরমধ্যে শাসক দলের দুর্নীতি ভরা। এই সব লোক দেখানো সার্কুলার।”