
শেষ আপডেট: 21 October 2022 09:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধেয়ে আসছে সিতরাং (Sitrang)। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। যদিও কতটা তীব্রতায় এই ঘূর্ণিঝড় আসছে, কোথায় আছড়ে পড়বে, এই নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও বার্তা নেই আবহাওয়া দফতরের তরফে। তবে এই ঝড় মোকাবিলায় সবরকম প্রস্তুতি সেরে রাখতে চাইছে নবান্ন (Nabanna)।
শুক্রবার নবান্নে সব দফতরের সচিবদের সঙ্গে এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। ছিলেন দক্ষিণের জেলাগুলির জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররাও। নবান্ন সূত্রের খবর, এই বৈঠকে ঠিক হয় এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে ১৫টি এনডিআরএফ টিম ও ২০টি এসডিআরএফ দল। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নৌসেনার আধিকারিকরাও।
কালীপুজোর সময় এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে উদ্বিগ্ন নবান্ন। ঝড়ের গতিবিধি নিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দফতর যেমন আপডেট দেবেন সেইমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জনা গেছে। ইতিমধ্যেই উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে মাইকিং শুরু করে দিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগেভাগেই সেচ দফতরকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে। এদিন বৈঠকে সেই নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে খবর। আবহাওয়া দফতর সূত্রে এখনও পর্যন্ত যা খবর, ২৪ ও ২৫ তারিখ অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে দুই ২৪ পরগনা ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরে। তবে এই ঝড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা ছুঁয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যেতে পারে।
এদিনের বৈঠক থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ইন্টিগ্রেড কন্ট্রোলরুম চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নবান্নে চালু হবে একটি কন্ট্রোলরুম। আরও জানানো হয়, নদী বাঁধ এলাকায় এলাকায় মাইকিং করতে হবে। প্রসঙ্গত, আপৎকালীন কাজের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি উপযুক্ত ত্রাণ মজুদ রাখারও কথা বলা হয়েছে নবান্নের তরফে। ২৩ তারিখ থেকে মৎসজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।