রেলিংয়ের ওপর ছেলের অসাড় দেহ, শুনেই হৃদরোগে আক্রান্ত বাবা
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ বাগনানে (Bagnan) মৃত্যু হল এক বহুজাতিক সংস্থার কর্মী তাপস মান্নার। উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া এলাকার একটি নামী কোম্পানির ঠিকাদার ছিলেন তিনি। রবিবার জাতীয় সড়কের ওপর তাঁর দেহ মেলে। যদিও সেই খবর জানতে অনেকটা সময় লেগে যায় পরিব
শেষ আপডেট: 6 September 2021 08:45
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ বাগনানে (Bagnan) মৃত্যু হল এক বহুজাতিক সংস্থার কর্মী তাপস মান্নার। উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া এলাকার একটি নামী কোম্পানির ঠিকাদার ছিলেন তিনি। রবিবার জাতীয় সড়কের ওপর তাঁর দেহ মেলে। যদিও সেই খবর জানতে অনেকটা সময় লেগে যায় পরিবারের। তারপরই তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরু হয় জল্পনা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন তিনি। গত শনিবার দুপুর ২ টো নাগাদ বাড়ি থেকে বেরোনোর পর থেকে তাঁর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে হাওড়া হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পান পরিবারের লোকজন। আচমকা ছেলের মৃত্যুর খবরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বাবা।
পরিবার সুত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট কারখানার অন্য এক কন্ট্রাক্টর সত্যজিৎ গুছাইতের ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় তাপস। রাত ১০টা বেজে গেলেও তাঁকে ফিরতে না দেখে বাড়ির লোক ফোন করেন। তাপস জানান, তিনি সত্যজিৎ ও তার ভাই বিশ্বজিতের সঙ্গে আছেন। তারপর থেকে তাঁকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। আত্মীয় স্বজনদের ফোন করেও কিছু জানা যায়নি। এরপরই বাগনান থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন তাপসের পরিবারের লোকজন।
এদিকে রবিবার দুপুরে সত্যজিৎকে ফোন করলে তিনি জানান, আহত অবস্থায় তাপসকে হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরে বিভিন্ন সূত্র মারফত তাপসের পরিবার জানতে পারেন উলুবেড়িয়া থানার ফকির পাড়ার কাছে ১৬ নং জাতীয় সড়কের লোহার রেলিংয়ে অদ্ভুত অবস্থায় পড়েছিলেন তাপস মান্না। কিন্তু কে বা কারা তাঁকে উদ্ধার করে হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে গেল, তার কোনও সদুত্তর মেলেনি।
আরও পড়ুনঃ
টাকা দিতে চাননি বাবা, গলা টিপে খুন করল ছেলে
ঘটনাস্থলের কাছেই উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল থাকতেও কেন এত দূরের হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের লোকজন। তাঁদের দাবি কোন দুর্ঘটনা নয় পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে তাপসকে। এর পেছনে সত্যজিৎ আর বিশ্বজিতের হাত রয়েছে বলেই মনে করছেন তাঁরা।
ইতিমধ্যেই তাপসের রহস্যমৃত্যু নিয়ে বাগনান থানায় অভিযোগ করেছেন পরিবার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'