
শেষ আপডেট: 17 March 2023 11:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি : অঙ্কের শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। তাই ক্লাসও হয় না। সময় পেলে ইংরেজি আর ভৌতবিজ্ঞান পড়ান প্রধানশিক্ষিকা। অভিযোগ এমনটাই। গতবার মাধ্যমিকে ৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৫ জন ফেল করেছিল। এবারও কতজন পাশ করবে তা নিয়ে সংশয়! নিজের স্কুলের (school) এমন হাল দেখে হতবাক আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী (MLA Nausad Siddiqui)।
ফুরফুরা পঞ্চায়েত এলাকার রামপাড়া নারায়ণী বালিকা বিদ্যালয়। এই স্কুলের প্রাথমিক বিভাগে ছাত্ররাও পড়াশোনা করে। এখানেই ক্লাস ফোর পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন ভাঙরের বিধায়ক নওসাদ ও তার পরিবারের আরও অনেকে। শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ নিজের স্কুলের হাল দেখতে এসেছিলেন তিনি। নওসাদ বলেন, “এই স্কুলে ছোটবেলায় পড়াশোনা করেছি আমি। অনেকদিন ধরেই শুনছিলাম এখানে শিক্ষকের অভাবে পড়াশোনা হচ্ছে না। ছাত্রীরা ফেল করছে। আজ এসে জানতে পারি স্কুলে ইংরেজি এবং ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক শিক্ষিকা নেই। নেই কোনও অঙ্কের শিক্ষক। এমনকী চতুর্থ শ্রেণির কোনও কর্মীও নেই। কিন্তু ঝাঁ-চকচক করছে নারায়ণী বালিকা বিদ্যালয়।”
অভিযোগ ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত এই স্কুলে ছাত্রী সংখ্যা ছিল সাড়ে ছশোর উপর। ২০১৪ সালের পর কমতে শুরু করে ছাত্রী সংখ্যা। এখন এই স্কুলে ছাত্রী রয়েছে ৪৫২ জন। শিক্ষিকা আটজন। স্কুলে অঙ্ক, ভৌতবিজ্ঞান এবং ইংরেজির শিক্ষিকা নেই। অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষিকারা স্কুল বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ওই বিষয়গুলির ক্লাস নিচ্ছেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মৃদুলা হালদার বলেন, “বারবার এসআই, ডিআই এবং শিক্ষা দফতরে আবেদন জানিয়েও ফল মেলেনি কোনও। একদিকে প্রধানশিক্ষিকার দায়িত্ব, অন্যদিকে পড়ানো এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে আমাকে।”
সমস্ত দেখেশুনে তাঁর সাধ্যমতো সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকী। যদিও এ বিষয়ে জাঙ্গিপাড়া ব্লকের স্কুল পরিদর্শক দীপঙ্কর সরকার বলেন, “নারায়ণী বালিকা বিদ্যালয়ে যথেষ্ট শিক্ষক আছেন। শুধু গ্রুপ ডি স্টাফ নেই।”
আমি তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়ক, কালীঘাটে কেন যাব: করিম চৌধুরী