
শেষ আপডেট: 5 August 2022 12:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পুরুলিয়া: স্কুলের মিড ডে মিলের (Mid day meal) খাবারে পাওয়া গিয়েছে টিকটিকি (Lizard)। সেই খাবার খাওয়ার পরেই অসুস্থ পড়ুয়ারা (Students)। এই অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছে পুরুলিয়ার (Purulia) কুস্টুকা গ্রাম।
তিনদিন আগে পুরুলিয়া দুই নম্বর ব্লকের কুস্টুকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক পড়ুয়া অসুস্থ হতে শুরু করে। তাদেরকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। জানা যায়, খাবারে বিষক্রিয়ার ফলেই এই অসুস্থতা।
এরপর জানা যায়, চলতি মাসের ২ তারিখ, মিড ডে মিলের ভাতে একটি টিকটিকি পাওয়া যায়। অভিযোগ, সেই টিকটিকি ফেলে দিয়ে বাকি ভাত খাইয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদ আনসারি। আর তারপর সেই খাবার খেয়েই অসুস্থ হয় পড়ুয়ারা। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিভাবকরা স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। ৩ দিন বন্ধ ছিল বিদ্যালয়।
অবশেষে শুক্রবার, এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন জেলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি শেখ রহিম। অভিভাবকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর ফের খোলা হয় বিদ্যালয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে। আসলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বদনাম করার জন্যই এই ধরনের কথা রটানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে বাঁকুড়ার ওন্দা গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালে টিকটিকি পাওয়া যায়। তাই নিয়ে হইহই কাণ্ড হয়েছিল তখন। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে তোপ দেগে তৃণমূলের সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, আসলে ডালে টিকটিকি পাওয়া যায়নি, সিপিএম মিড ডে মিলের রান্না ঠিকঠাক হচ্ছে কি না দেখার জন্য টিকটিকিকে তদারকি করতে পাঠিয়েছিলেন। তখন সুব্রতবাবুর এই বক্তব্য রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যায়।
এখন গদি বদলেছে, কিন্তু মিড ডে মিলে টিকটিকি পাওয়ার ঘটনার বদল আজও হয়নি।
উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি, নির্দেশ দিয়েছিল আদালত