
শেষ আপডেট: 1 August 2022 14:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাস্টার্সের ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। কিন্তু এমএ পাশ করার পরেও চাকরি জোটেনি। টালিগঞ্জে ছোটপর্দায় মডেলিংয়ের কাজ করছিলেন বেশ কিছুদিন। কিন্তু করোনাপর্বে তাতেও বাধা আসে। বছর ৩৫-এর নিশীথ অবশেষে গ্রামে ফিরে খুলে বসেন চায়ের দোকান (Tea Stall)। আর তাঁর সেই দোকানেই ইদানীং ভিড় উপচে পড়ছে।
ব্যবসা চালানোর জন্য অভিনব পন্থা ধরেছেন নিশীথ। তাঁর চায়ের দোকানে হরেকরকম চা তো পাওয়া যায়ই, সেই সঙ্গে চায়ের কাপটিকেও কড়মড় করে চিবিয়ে খাওয়া যায়। অভিনব সেই চা আর চায়ের কাপ চেখে দেখতেই ভিড় বাড়ছে মেদিনীপুরের (Medinipur) রাঙামাটি এলাকার ‘চা পে চর্চা’ স্টলে।
আসলে নিশীথের চায়ের দোকানে যে কাপের মধ্যে চা দেওয়া হয়, সেই কাপ তৈরি বিস্কুট দিয়ে। অর্থাৎ কাপ আসলে কাপ নয়, তা বিস্কুট (Biscuit)। চা আর বিস্কুট এভাবেই একসঙ্গে চিবিয়ে আর চুমুক দিয়ে খাচ্ছেন ক্রেতারা। লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে এমএ পাশ চা-ওয়ালার।
করোনাপর্বে এই চায়ের দোকান খুলে বসেছিলেন নিশীথ। প্রথমদিকে দোকান চলত না। তখনই এই বুদ্ধি মাথায় খেলে তাঁর। যেমন ভাবা তেমন কাজ। দূর-দূরান্ত থেকেও এখন তাঁর দোকানে শুধু চা খেতে চলে আসেন মানুষ।
নিশীথ জানিয়েছেন এই বিস্কুটের কাপে ৪০ মিনিট পর্যন্ত চা গরম থাকে। আজকাল প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে এই অভিনব কাপে একসঙ্গে দুই কাজ হয়ে যাচ্ছে, ক্রেতারাও এটি পছন্দ করছেন।
চা আর চায়ের কাপ খেতে কত টাকা লাগছে? নিশীথ জানান, এক কাপ চা তাঁর দোকানে মাত্র ৩০ টাকা। যাঁরাই তাঁর দোকানে এসে চায়ে চুমুক দিচ্ছেন আর কাপে কামড় বসাচ্ছেন, তাঁরাই বলে উঠছেন ‘লা জবাব’।
আরও পড়ুন: ১ টাকার কয়েন খেতেন ডিপ্রেশনে! পেট থেকে ৬৩টা বের করলেন ডাক্তারবাবুরা