
শেষ আপডেট: 15 March 2019 18:30
সিলিন্ডার ফেটেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, একাধিক সিলিন্ডার ফেটে আগুন ছড়িয়েছে বস্তিতে। পাশাপাশি ঘেঁষাঘেঁষি ঘর হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা বস্তি এলাকায়। পুড়তে শুরু করে একটার পর একটা ঘর। আগুনে আক্রান্তদের সাহায্য করতে গিয়ে গুরুতর জখম হন বছর একুশের যুবক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।
আগুন এতটাই বিরাট আকার নেয় যে নিয়ন্ত্রণে আনতে বহু সময় লাগে। দমকল সূত্রে জানা গেছে, রাতের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বস্তি এলাকা হওয়ায় ইতস্তত ছড়িয়েছিল প্লাস্টিক ও আরও নানা দাহ্য বস্তু। গাছের শুকনো পাতা জড়ো হয়েছিল চারদিকে। আগুন তাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিরাট আকার নেয়, এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয়েরা। বস্তিতেই খুপরি ঘরে থাকেন বাসুদেব দাস। তিনি বলেছেন, "আমরা সবই হারিয়েছি। ঘর পুড়ে গেছে, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আর নেই। খবর পাওয়ার এক ঘণ্টা পরে দমকল এসেছে।"
দক্ষিণেশ্বর ব্রিজ লাগোয়া এই বস্তিতে ছিল আনুমানিক পাঁচশো ঘর। শনিবার সন্ধেতে হালকা মেজাজেই সকলেই বাইরে বসে গল্প করছিলেন। হঠাৎই শোরগোল ওঠে আগুন। বস্তিতে দীর্ঘদিন ধরেই বাস দেবব্রত মণ্ডলের। জানালেন, দমকলে খবর দেওয়ার আগে তাঁরাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু, এতটাই ঘিঞ্জি এলাকা এবং দাহ্য বস্তুর ছড়াছড়ি যে আগুন লহমায় ভয়াবহ রূপ নেয়। তাঁর কথায়, "আমরা আগে বাঁশ দিয়ে খুঁচিয়ে ইলেকট্রিক তারগুলো ছিঁড়ে দিই। বালতি বালতি জল ঢেলেও আগুন বাগে আনা যাচ্ছিল না। পরে দমকল এসে পৌঁছয়। কিন্তু, তার আগেই আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। চারদিকে এখন শুধু ছাই। "