
শেষ আপডেট: 28 April 2022 11:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন নবান্নে। সেখানে ঝাড়গ্রামের (Jhargram) মাওবাদী পোস্টার (Maoist Poster) নিয়ে জেলাশাসকের কাছে জানতে চান। ডিএম জয়সী দাশগুপ্ত জানান, কিচ্ছু নেই। সব দেখে নিয়েছেন তাঁরা।
এই কথোপকথনের পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। ফের মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার মিলল ঝাড়গ্রামের বিনপুর থানার আশাকাঁথি এলাকায়। এবার তৃণমূলের এড়গদা অঞ্চল সভাপতি বিকাশ মাহাত ও তৃণমূল যুবর অঞ্চল সভাপতি চরণ মাণ্ডিকে হুমকি দিয়ে এই পোস্টার। যোগ্য লোককে প্যাকেজ না দিয়ে তৃণমূল নেতাদের প্যাকেজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এলাকার গরীব মানুষের টাকা যারা লুঠ করেছে, সেইসব তৃণমূল নেতাদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পোস্টারে। পাশাপাশি গত আট তারিখ মাওবাদী বনধের বিরুদ্ধে প্রচার করার অভিযোগে বিকাশ এবং চরণ, এই দুই তৃণমূল নেতাকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চেয়েছিলেন, “একটা, দুটো, তিনটে পোস্টার নিয়ে সবাই বলছে। কী হচ্ছে বলো তো?”
মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করা মাত্র ঝাড়গ্রামের ডিএম জয়সী দাশগুপ্ত বলেছিলেন, “কিছু নেই ম্যাম! আমরা মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, ওই এলাকায় গেছি, কিন্তু মাওবাদীরা রয়েছে বলে কিছু পাইনি। ওখানে ওসব কিছু নেই ম্যাম।”
রপরেই মমতা বলেন, “একটা দুটো তিনটে পোস্টার বিজেপি লাগিয়ে দিয়ে মাওবাদী নাম দিয়ে চালাচ্ছে। ঝাড়খণ্ড থেকে কাউকে কাউকে ঢুকিয়ে এসব করাচ্ছে।”
আজ বেলপাহাড়ি তো কাল মানিকপাড়া, পরশু ঝাড়গ্রাম শহর তো তার পরের দিন বিনপুর--- রোজ কোথাও না কোথাও মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার হচ্ছে ঝাড়গ্রামে। পোস্টার মিলছে পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও। যেগুলির প্রায় সবেতেই স্থানীয় স্তরে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ‘এবার খেলা হবে’ বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাই জেলা প্রশাসন যতই বিষয়টিকে হাল্কা করে দেখাক, ভয়ে কিন্তু কাঁটা হয়েছে ঝাড়গ্রামের মানুষ।
ভার্চুয়াল বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য জেলা প্রশাসনকে বলেছেন, “যদি দু’একটা মাওবাদী থেকেও থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নাও। টেক অ্যাকশন এগেনস্ট দেম।”
এদিন ফের পোস্টার মিলল ঝাড়গ্রামে। সাদা কাগজে, লাল কালিতে লেখা পোস্টার।
লালুর সংসারে ফের অশান্তি, এবার নতুন দলও গড়তে পারেন বড় ছেলে তেজপ্রতাপ