
শেষ আপডেট: 7 November 2022 08:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লটারি কি আর কপালের খেলা নয়? বাংলায় তা কি এখন কালো টাকা সাদা করার কল? কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তেমনটাই মনে করছে বলে খবর। ইডি সূত্রে খবর, কয়লা এবং গরু পাচারের কালো টাকা যে পুলিশ অধিকরিকদের কাছে গিয়েছে তাঁদের অনেকেই লটারির (Lottery Scam) মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছেন।
ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) লটারি জেতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই (CBI Probe)। বোলপুরের গাঙ্গুলি লটারি এজেন্সির মালিককে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরা করেছিলেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির কর্তারা। দুদিন আগে সিবিআইয়ের একটি টিম হানা দিয়েছিল রাহুল লটারিতে। এবার ইডির আতস কাচের নীচে অনেক পুলিশ আধিকারিক।
কয়লা এবং গরু পাচারে যে কাঁচা টাকা পুলিশের বিভিন্ন স্তরে গিয়েছে তা তদন্ত এজেন্সি আগেই জানিয়েছিল। কয়লা মামলায় বাংলার একাধিক অফিসারকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তাঁদের মধ্যে কেউ হাজিরা দিয়েছেন আবার কেউ দেননি। কিন্তু এনামুল হক থেকে অনুপ মাঝি ওরফে লালা-- গরু ও কয়লা পাচারের দুই কিংপিন ইডিকে জানিয়েছে, পুলিশকে টাকা দিয়েই পাচার চলেছে।
ইডি সূত্রে খবর, এই পুলিশ কর্তাদের অনেক আত্মীয় গত কয়েক বছরে একটি সংস্থার লটারিতে পুরস্কার পেয়েছেন। এক কোটির কম টাকা জেতায় তাঁদের ছবি ছাপা হয়নি। তাই নাম নিয়ে গোড়ায় ধোঁয়াশা ছিল তদন্তকারীদের কাছেও। কিন্তু দু-একটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়ার পরে ইডি এখন গত পাঁচ বছরের তালিকা করতে শুরু করেছে।
তাঁরাই লটারির টিকিট কিনেছিলেন নাকি জেতা টিকিট ভাড়া করা হয়েছিল সেটাই খতিয়ে দেখছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে খবর, গোয়েন্দারা মনে করছেন এই কেলেঙ্কারি বহরে বেশ বড়। অর্থাৎ গরু, কয়লা দুর্নীতি যেমন একই সুতোয় বাঁধা তেমনই লটারি কেলেঙ্কারিও। অর্থাৎ পুরোটাই সাজানো।