দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধানসভার বাজেট অধিবেশনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এবার রাজ্য সরকার 'খেলা হবে' দিবস পালন করবে। একুশের মঞ্চ থেকে দিদি জানিয়েছিলেন, সেই খেলা দিবস হবে ১৬ অগস্ট।
বৃহস্পতিবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, সেদিন কী হবে। তিনি বলেন, "১৬ অগস্ট স্বাধীনতা দিবসের পরদিনই খেলা হবে দিবস পালিত হবে। দেশের স্বাধীনতা আজ বিপন্ন। ভারতবর্ষ তা থেকে মুক্তি পাক—সেই উদ্দেশে স্বাধীনতা দিবসের পরদিন খেলা হবে দিবস পালিত হবে।"
তাঁর কথায়, "খেলা হবে দিবসের দিন গোটা রাজ্যে ১ লক্ষ ফুটবল দেওয়া হবে। আইএফএ-র অধীনে যত ক্লাব রয়েছে তাদেরও ১০টা করে বল দেব। ৫০ হাজার বল ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে।"
মমতা আরও বলেন, " বল আমাদের বাংলার মা বোনেরাই তৈরি করে। এই বল আমরা দেব। আগামী দিন খেলা হবে। সভ্যতা সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে গেলে খেলা খুব প্রয়োজন। যারা এটাকে অন্য মানে করে তারা খেলা মানেটাই বোঝে না। যে হেতু বাংলা থেকে এই আওয়াজটা উঠেছিল, তাই বাংলা থেকে তা ছড়িয়ে পড়ুক গোটা দেশে।"
খেলা হবে স্লোগান এমনিতেই জাতীয় আঙ্গিক পেতে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি দেওয়ালে লিখেছে, 'খেলা হুই।' কাশ্মীরের মাটিতে দাঁড়িয়ে মেহেবুবা মুফতি বাংলা উচ্চারণে বলেছেন, "খেলা হবে।" শুধু তাই নয়, যার হাত ধরে খেলা হবে স্লোগানের কার্যত বিশ্বায়ন ঘটেছে সেই তরুণ তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই খেলা হবে গানের হিন্দি ভার্সন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
১৬ অগস্ট দিনটি ফুটবল প্রেমী দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৮০ সালের বড় ম্যাচে এই দিনেই ইডেনে ১৬ জন ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থকের মৃত্যু হয়েছিল। মমতা এদিন জানিয়েছেন, ওই দিন খেলা হবে দিবস পালন করার সেটাও অন্যতম কারণ। অনেকের মতে, বাঙালির লোহিত কণায় মিশে রয়েছে ফুটবল। অনেক কিছু বদলে গেলেও ময়দানি আবেগের বদল হয়নি। হতে পারে সে কারণেই ফুটবল দেওয়ার পরিকল্পনা নিল নবান্ন।