Mamata Family: মমতার ভাই এবার রাজ্য কমিটিতে, পদও পেলেন কার্তিক
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে তাঁর পরিবার (Mamata Family) থেকে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে দলে উল্লেখযোগ্য জায়গা পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ২০১১ সালে অভিষেক যখন রাজনীতিতে এলেন তখন তৃণমূল যুবার সভাপতি করা হয়েছিল তাঁকে। তারপর
শেষ আপডেট: 9 March 2022 05:19
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে তাঁর পরিবার (Mamata Family) থেকে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে দলে উল্লেখযোগ্য জায়গা পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (
Abhishek Banerjee)। ২০১১ সালে অভিষেক যখন রাজনীতিতে এলেন তখন তৃণমূল যুবার সভাপতি করা হয়েছিল তাঁকে। তারপর ধাপে ধাপে যুব তৃণমূলের সভাপতি, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ থেকে এখন সেই অভিষেক পার্টির (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটিতে এলেন বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের আরও একজন। তিনি মমতার ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছেন দিদি। সেখানেই নাম রয়েছে কার্তিকের। তাঁকে সম্পাদক করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘আপনার জন্য দরজা খোলা রয়েছে’, নাম না করে মদনকে তোপ মমতার
কার্তিক এর আগে ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন তথা শাখা সংগঠনে ছিলেন। লোকসভা ভোটের পর মমতা প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছিলেন নৈহাটিতে। সেইসময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীদের ঘরছাড়া করার অভিযোগ উঠেছিল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল একাধিক তৃণমূল পার্টি অফিস। নৈহাটির কর্মসূচি থেকে মমতা দুটি ফ্রন্টাল সংগঠন করার কথা বলেছিলেন।
দিদি বলেছিলেন, আরএসএস-কে মোকাবিলা করতে আজাদহিন্দ বাহিনী এবং বঙ্গজননী বাহিনী গড়ে তোলা হবে। বঙ্গজননীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে আর আজদহিন্দ বাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন কার্তিক।
তারপর বিভিন্ন জেলায় স্বতন্ত্র ভাবে গত কয়েক বছর ধরে আজদহিন্দ বাহিনীর নামে বিভিন্ন কর্মসূচি করেছিলেন কার্তিক। এদিন তাঁকে পার্টির রাজ্য কমিটিতে জায়গা দিলেন দিদি।
আরও পড়ুনঃ পুরভোটে অশান্তি, মমতার নিশানায় তিন নেতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এর আগে ওই বাড়ির তৃতীয় সদস্য হিসেবে সংসদীয় রাজনীতিতে এসেছেন কার্তিকের স্ত্রী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। এবছর নিজের ভাইয়ের বউকে কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করেছিলেন মমতা। জিতে তিনি কাউন্সিলর হয়েছেন।
এমনিতে বিবেক মেলা করা থেকে শুরু করে নানান সামাজিক সংগঠনের কাজে কার্তিক সারা বছর নিজেকে জড়িয়ে রাখেন। ভবানীপুর এলাকায় তাঁর প্রভাবও রয়েছে। এবার সরাসরি পার্টিতে নেতৃত্ব হিসেবে উত্থান হল তাঁর।