
শেষ আপডেট: 8 June 2023 15:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি কবিতা লেখেন, একথা নতুন নয়। হালফ্যাশানের আধুনিক কবিতা থেকে লিমেরিক-- সবেতেই সমান সড়গড় তাঁর কলম। নয়-নয় করে বেশ কিছু বইও পাওয়া যায় কিনতে। অনেক সময়ে মুখেমুখেও তৎক্ষণাৎ কবিতা বানিয়ে ফেলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গুণের কথা সর্বজনবিদিত।
এবার সম্প্রতি ঘটে যাওয়া রেল দুর্ঘটনা নিয়ে কলম ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী। ব্যথাতুর শব্দে সাজালেন বেদনার কথামালা। ছুঁয়ে গেলেন মৃত্যু, যন্ত্রণা, হাহাকার। প্রশ্নও তুললেন, এই দুর্ঘটনা থেকে আমরা কি কিছু ভাবলাম? নাকি রেলযাত্রায় চলে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য তাঁদের পরিবার এবং প্রকৃতি ছাড়া আর কেউ কাঁদার নেই!
পড়ুন মুখ্যমন্ত্রীর লেখা সেই কবিতা।

গত শুক্রবার বালাসোরের কাছে বাহানাগা বাজার এলাকায় করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটার পরের দিনই শনিবার সকালে সেখানে ছুটে গেছিলেন মমতা। কাছ থেকে দেখেছিলেন উদ্ধারকাজ। আজকের কবিতায় বোঝাই যাচ্ছে, সে দিনের ঘটনার অভিঘাত তাঁর মনকে ছুঁয়ে গেছে। সেদিন দুর্ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে কিছু প্রশ্নও তুলেছিলেন মমতা। আঙুল তুলেছিলেন রেল সুরক্ষার দিকে। রেলমন্ত্রীকে পাশে দাঁড় করিয়ে মমতা সরাসরি বলেছিলেন, ‘রেলের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।’
এর পরে গতকাল, বুধবার এই রেল দুর্ঘটনায় বাংলার যাঁরা মারা গিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাঁদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়ার কর্মসূচি ছিল নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। সেই অনুষ্ঠানে মমতা এদিন করমণ্ডল বিপর্যয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ নিয়ে কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা সত্যটা জানতে চাই। কিন্তু যা হয়েছে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। মনে রাখবেন, ছাইকে কখনও আগুন করা যায় না আবার আগুনকে কখনও ছাই করা যায় না।”
এর পরেই বৃহস্পতিবার কবিতা লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কবিতাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
'সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী' কর্মসূচির সূচনা করলেন মমতা, ‘দিদিকে বলো’ এবার সরকারি মোড়কে