শেষ আপডেট: 19 August 2019 08:36
এ দিন বৈঠকের আগেই মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন দু'নম্বর রাউন্ড ট্যাঙ্ক লেনের পুরনো বস্তিতে। সেখানকার অব্যবস্থা দেখে উষ্মা প্রকাশ করেন দিদি। বলেন, "বস্তিতে গিয়ে দেখলাম ৪০০ পরিবার আর দুটো মাত্র বাথরুম। এটা কেন হবে? বস্তি উন্নয়নের জন্য টাকা দেওয়া হয়। তাও এত অব্যবস্থা কেন? মাঝে মাঝে তো যেতে পারেন বস্তিগুলোয়।" এরপরেই মন্ত্রী অরূপ রায়কে মমতা বলেন, "অরূপ ওটা তোমার এলাকা। তুমিই ঘুরবে, আমি নই। তোমাকেই কাজ করতে হবে।" এরপরেই মমতা বলেন, "ওখানে গিয়ে আবার বলবে না দিদিকে কেন বলেছ, দিদির জানার অধিকার আছে।"
তবে শুধু বস্তি উন্নয়ন নয়, এলাকার বাকি সমস্যা নিয়েও এ দিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। হাওড়ার জল জমার সমস্যা নতুন নয়। অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু জল এখানাকার নিত্য চিত্র। এ বারও ঠিক এমনটাই হয়েছে। বৃষ্টি থেমে গেলেও জল যন্ত্রণায় জর্জরিত হাওড়াবাসী। মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে উদ্দেশ করে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, "নিকাশি ব্যবস্থা কেন ঠিকঠাক নেই। বলেছিলাম একটা ড্রেনেজ স্কিম করতে। তারপরেও ঠিকঠাক ব্যবস্থা হয়নি। যদি ড্রেনেজ ঠিক না থাকে তাহলে তো বৃষ্টি হলে জল জমবেই।" সব কাউন্সিলাররা কেন নিজেদের ওয়ার্ডে ঠিকভাবে দেখভাল করছেন না তা নিয়েও এ দিন প্রশ্ন তোলেন মমতা।
হাওড়ায় রেশন কার্ড বিলির সমীক্ষা ঠিকমতো হয়নি বলেও তোপ দেগেছেন মমতা। প্রশ্ন তুলেছেন পানীয় জলের ঠিকঠাক সরবরাহ হওয়া নিয়েও। তবে সবথেকে তীব্র ধমকটা এদিন ছিল অরূপ রায়ের উদ্দেশে।