
শেষ আপডেট: 2 May 2023 07:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২১ সালের ভোটে বাংলায় সর্বশক্তি ঢেলে দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। আকাশ বাতাস মুখরিত হয়েছিল গেরুয়া গর্জনে—‘অব কি বার, দোশো পার।’ ২ মে সকাল সাড়ে ন’টা থেকেই মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, ওসব গর্জন হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে চলেছে। বাংলায় আরও বেশি শক্তি নিয়ে ফিরতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই জয়ের দু’বছর পূর্তিতে রাজ্যের মানুষকে (People of Westbengal) অভিনন্দন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
টুইটে মমতা লিখেছেন, ‘২০২১ সালে আজকের দিনে বাংলার মা-মাটি-মানুষ সারা পৃথিবীতে দেখিয়েছিলেন যে গণতন্ত্রে মানুষের শক্তির চেয়ে বড় কোন শক্তি নেই। আর সেজন্য আমি তাঁদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘প্রকৃত জাতি নির্মাণে আমাদের প্রয়াস জারি রাখতে হবে, দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে হবে, কারণ আগামী দিনে আমাদের অনেক যুদ্ধ লড়তে হবে, জিততেও হবে।’

এ নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এটাও নিশ্চয়ই স্মরণে আছে যে, তাঁর নন্দীগ্রামে হারেরও আজ দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি।’
২০১৬ সালে বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোটের বিরুদ্ধে লড়ে ক্ষমতায় ফিরেছিল তৃণমূল। কিন্তু একুশের জয় অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহলের অনেকে। কারণ, গোটা কেন্দ্রীয় সরকার ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলায়। তাকে প্রতিহত করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের ছিল তৃণমূলের জন্য। সামনে পঞ্চায়েত ভোট। তারপর চব্বিশের লোকসভা ভোট রয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলায় এসে বিজেপিকে ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়ে গিয়েছেন স্বয়ং অমিত শাহ। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, সামনের যুদ্ধ বলতে দিদি হয়তো সেকথাই বলতে চেয়েছেন।
কোর্টের নির্দেশ মানছে না পুলিশ! প্রবল ক্ষুব্ধ বিচারপতি মান্থা, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি