বালি সিন্ডিকেটে সর্ষের মধ্যে ভূতদের তাড়া করেছে মমতার দুর্নীতি দমন শাখা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বালি খাদানে (Sand Mining) দুর্নীতি রুখতে এর আগে বার বার সতর্ক করেছে নবান্ন। মুখ্যসচিব নানা সময়ে জেলাশাসকদের নানা নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। এবার বেআইনি বালি পাচার আটকাতে আস
শেষ আপডেট: 28 September 2021 13:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বালি খাদানে (Sand Mining) দুর্নীতি রুখতে এর আগে বার বার সতর্ক করেছে নবান্ন। মুখ্যসচিব নানা সময়ে জেলাশাসকদের নানা নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। এবার বেআইনি বালি পাচার আটকাতে আসরে নেমেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্নীতি দমন শাখা (ACB)।
সূত্রের খবর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, আসানসোল-সহ একাধিক এলাকায় ইদানীং বেআইনি বালি খাদানের অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ পৌঁছেছে দুর্নীতি দমন শাখার কাছে। কেন এত তৎপরতা সত্ত্বেও এই দুর্নীতি রোখা যাচ্ছে না? রাজ্যের বালি সিন্ডিকেটে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে আছে? এবার তারই সন্ধানে নেমেছেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা।
একটা উপনির্বাচন পর্যন্ত শান্তিতে হবে না এ রাজ্যে?
বিভিন্ন জায়গায় বালি খাদানগুলি দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। হানা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বাড়িতেও। শুধু তাই নয়, সূত্রের খবর এই বালি পাচারের সঙ্গে জেলার বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের যোগসূত্রও পাওয়া গেছে। তাঁদের বাড়ি থেকে বিভিন্ন নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা।
দিন কয়েক আগে পশ্চিম বর্ধমানে দুর্নীতি দমন শাখার চারটি টিম বালি পাচার সংক্রান্ত ঘটনায় হানা দিয়েছিলেন। কাকতালীয়ভাবে তার পরেই ওই জেলার জেলাশাসক এবং আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনারকে সরিয়ে দিয়েছিল নবান্ন। শোনা গিয়েছিল এই বালি খাদান দুর্নীতির সঙ্গে তাঁদের যোগ মেলায় পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে নবান্নের তরফে কিছু বলা হয়নি।
জামুরিয়া, কাঁকসা, ধূপগুড়ি, মালবাজার, রায়গঞ্জ প্রভৃতি বেশ কিছু জায়গায় বালি খাদানে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। তা বন্ধ করতে তৎপর দুর্নীতি দমন শাখা। যাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি বালি খাদানে অভিযোগ পাওয়া যাবে তাঁদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই মামলা করা হবে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'