তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল গ্রিস, তুরস্কের উপকূল, রিখটারে ৭, জারি সুনামির সতর্কতা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল গ্রিস ও তুরস্কের উপকূলবর্তী এলাকা। এজিয়ান সাগরে ছোটখাটো সুনামির সতর্কতাও জারি হয়েছে। প্রবল কম্পনে সমুদ্রের জল ঢুকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে ঘরবাড়ি। তুরস্কের উপকূলবর্তী ইজমিরে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে বলে খবর।
শেষ আপডেট: 29 October 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল গ্রিস ও তুরস্কের উপকূলবর্তী এলাকা। এজিয়ান সাগরে ছোটখাটো সুনামির সতর্কতাও জারি হয়েছে। প্রবল কম্পনে সমুদ্রের জল ঢুকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে ঘরবাড়ি। তুরস্কের উপকূলবর্তী ইজমিরে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে বলে খবর।
তুরস্কের ডিসাস্টার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট প্রেসিডেন্সির তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের তীব্রতা রিখটার স্কেলে ৬.৬। অন্যদিকে, মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের রিপোর্ট বলছে, এই কম্পনের তীব্রতা রিখটারে ৭। এজিয়ান সাগরে ছোট ছোট ঢেউতে সুনামিও দেখা গেছে। সতর্কতা জারি হয়েছে উপকূলবর্তী শহরগুলিতে।

তুরস্কের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ তুরস্কের ইজমিরে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। সেখানে একটি বহুতল ভেঙে পড়তে দেখা গিয়েছে।জোর কদমে উদ্ধার কাজ চলছে। আপাতত সেখানেই বাসিন্দাদের জন্য অস্থায়ী শিবির তৈরি করেছে প্রশাসন। গ্রিসের উত্তর এজিয়ান প্রদেশেও কম্পনের তীব্রতা বেশি। তবে আশপাশের দ্বীপগুলোয় ক্ষতি হয়নি বলে প্রশাসন সূত্রের খবর।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ইজমির প্রদেশ থেকে ১৭ কিলোমিটারের মধ্যে। ভূমি থেকে ১৬ কিলোমিটার গভীরে। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের রিপোর্ট বলছে, কম্পনের কেন্দ্রস্থল তুরস্কের উপকূল থেকে ৩৩.৫ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে। এখনও অবধি প্রাণহানির কোনও খবর মেলেনি।
আরও বেশ কয়েকটি ভূকম্প পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কা করছেন দু’টি দেশেরই আবহবিদরা। তার জেরে জারি করা হয়েছে বাড়তি সতর্কতাও। এমনিতেই গ্রিস ও তুরস্কে মাঝেমধ্যেই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। ১৯৯৯ সালে গ্রিস ও তুরস্কে দু’টি বিরাট মাপের ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৭ সালে গ্রিস ও তুরস্ক উপকূল সংলগ্ন লেসবস দ্বীপ এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দক্ষিণ লেসবসের অন্তত ১২টি গ্রাম ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।