
শেষ আপডেট: 26 August 2022 09:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: টেট–এর পর এবার মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠল! এক পরীক্ষার্থী তাঁর উত্তরপত্র বাতিল করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, কেউ তাঁর উত্তরপত্রে (ওএমআর শিট) লিখেছেন (madrasa)। অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরপত্রটি পরীক্ষার জন্য আজ, শুক্রবার সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির (সিএফএসএল) ডিরেক্টর এবং ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিকে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
মামলাকারী পরীক্ষার্থী আবদুল হামিদের অভিযোগ, ২০২১ সালের ১৭ই জানুয়ারি মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের জন্য এসএসএসটি পরীক্ষা হয়। তিনি তথ্যের অধিকার আইনে উত্তরপত্র দেখতে চেয়েছিলেন। তাতে দেখেন উত্তরপত্রে কেউ অন্য রঙের কালির কলম চালিয়েছে। যে কালো কলমে তিনি পরীক্ষা দিয়েছিলেন, সেটি আদালতে জমা দিয়েছেন। মামলাকারীর অভিযোগ, ‘‘ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বঞ্চিত করা হয়েছে আমাকে। আরও অনেকের সঙ্গে এই দুর্নীতি হয়েছে।’’
এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ওই পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট খতিয়ে দেখবে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি। পরীক্ষার্থীর কলমের কালি যাচাই করা হবে। এদিন আদালতে এই মামলা প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘রাজ্যে শিক্ষায় দুর্নীতি এখন নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’
বিচারপতি পরীক্ষার উত্তরপত্রটি ২৫ অগস্টের মধ্যে হাই কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ৩১ অগস্টের মধ্যে তা সিএফএসএল-কে পাঠাতে হবে। এবং আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিএফএসএল-কে।
সুকান্ত বলেছিলেন, ‘হাকিম রেডি থাকুন’, অভিমানী ববির প্রশ্ন, ‘আপনি লিস্ট করছেন নাকি?’