
শেষ আপডেট: 18 November 2018 22:20
দুর্গাপুর থেকে আনা হচ্ছে অঙ্গ।[/caption]
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এর পরেই তার পরিবারকে অনুরোধ করেন অঙ্গদানের জন্য। তাঁরা কথা বলেন কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালেও। অবশেষে শনিবার রাজি হন মধুস্মিতার পরিবার। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় রাজ্যের দীরেঘতম গ্রিন করিডন তৈরির। রবিবার সন্ধে ৭:২০ মিনিটে দুর্গাপুর থেকে রওনা হয়ে ১৭০ কিমি পথ গ্রিন করিডরের মাধ্যমে পেরিয়ে, রাত ৯:৪০ মিনিটে এসএসকেএম এসে পৌঁছয় মধুস্মিতার লিভার, দু'টি কিডনি এবং কর্নিয়া।
একটুও দেরি না করে শুরু হয় অস্ত্রোপচার। এসএসকেএমে ভর্তি, ব্যারাকপুরের সঞ্জীব বালা পাচ্ছেন মধুস্মিতার লিভার। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর পরিবার লিভারের খোঁজ করছিল। অবশেষে তা পাওয়ায় মধুস্মিতার পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সঞ্জিতের পরিবারের লোকজন। অন্য দিকে মধুস্মিতার কিডনির দুই জন গ্রহীতা হলেন দমদমের ২০ বছরের তরুণ অভিষেক মিশ্র এবং নদিয়ার ২৩ বছরের যুবক মিঠুন দালাল। মধুস্মিতার কর্নিয়া আই-ব্যাঙ্কে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
https://www.youtube.com/watch?v=b1LvsyhWnh4&feature=youtu.be
রাজ্যের অঙ্গদানের ইতিহাসে মধুস্মিতাই এখনও পর্যন্ত কনিষ্ঠতম সদস্য। দেশের নিরিখে সে পঞ্চম কনিষ্ঠ। দুর্গাপুরের এই কিশোরীর অঙ্গ আনার জন্যই রাজ্যে নির্মিত হল ১৭০ কিলোমিটারের দীর্ঘতম গ্রিন করিডর।
রবিবার সকালেই এসএসকেএমের চিকিৎসকেদের একটি দল পৌঁছে যায় দুর্গাপুর। দুপুর একটা থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। দুর্গাপুর থেকে বুদবুদ পর্যন্ত ২৭০ জন পুলিশকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়। অন্তত ১২০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে, এমন পাইলট কারের বন্দোবস্ত করা হয়।
এর পর অপেক্ষা, গ্রহীতাদের শরীরে মধুস্মিতার অঙ্গ প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার।