দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটা দুর্ঘটনা এসে তছনছ করে দিয়েছিল সংসার। তারপর থেকে পঙ্গু বাবাকে ট্রাইসাইকেলে তুলে ঘুরে ঘুরে লটারি বিক্রি করত প্রীতি। সেই টাকাতেই সংসার চলেছে শেষ কয়েকবছর। কিন্তু এখন, বাবাকে যে বিছানা ছেড়ে ওঠানোই যাচ্ছে না আর। সবসময় মাথার ধারে বসে থাকছে একরত্তি মেয়ে। কী করে চলবে সংসার? সোনাদানা যা ছিল সব বেচা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।
শিলিগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের আদর্শ পল্লীর বাসিন্দা এই পরিবার।তিনবছর আগে কাজ থেকে ফেরার পথে একটা দুর্ঘটনা চলৎশক্তি কেড়ে নিয়েছে রবি দাসের। সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি ছেড়ে বরাবরের মতো বিছানা নিয়েছেন।
দেখুন ভিডিও।
https://youtu.be/mNUcVuDPcsw
এদিকে চার মেয়ের বাবা তিনি। তিন মেয়ের বিয়ে হয়েছে কোনওমতে। সাত বছর আগে স্ত্রী চলে যেতে ছোট মেয়ে প্রীতিই এখন সম্বল। বছর ষোলোর সেই মেয়ে বুক দিয়ে আগলে রাখে বাবাকে, আর প্রতিনিয়ত প্রার্থনা করে চলে, যদি কেউ পাশে দাঁড়ান, নাহলে এরপর না খেয়ে মরতে হবে!
ইদানীং বাবাকে নিয়েই কেটে যায় সারাদিন। প্রীতি আর টাকার জোগাড় করতে পারছে না। কেউ যদি দুটো খাবার দিয়ে যান দয়া করে তবেই খাওয়া জোটে বাবা মেয়ের। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? কেউ কি দাঁড়াবেন এই অসহায় পরিবারের পাশে? কেউ কি দেখাবেন আলো?