
শেষ আপডেট: 9 November 2022 11:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: পৌষমেলার জন্য পূর্বপল্লীর মাঠ ভাড়া চেয়ে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে চিঠি দিল বোলপুর পুরসভা (Letter to Visva Bharati)। মাঠ পাওয়া গেলে এবার ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলার (Poushmela) আয়োজন বোলপুর পুরসভাই (Bolpur Municipality) করবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারপার্সন (Chairperson) পর্ণা ঘোষ৷ যদি, পূর্বপল্লীর মাঠ বিশ্বভারতী না দেয় তাহলে গত বছরের মত ডাকবাংলো মাঠেই মেলার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আশ্রমিক সুপ্রিয় ঠাকুর এভাবে মাঠ ভাড়া দেওয়ার তীব্র বিরোধী। তাঁর বক্তব্য, “পূর্বপল্লীর মাঠে যদি মেলা হয়, তবে তা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষই তো করতে পারে। এটা একটা প্রাচীন মেলা। মহর্ষির সময় শুরু হয়েছিল। এই মেলা এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া কখনই উচিত নয়।”
গ্রিনবেঞ্চে মামলার হওয়ার পর গত কয়েক বছর ধরেই টানাপড়েন চলছে ঐতিহ্যের পৌষমেলা নিয়ে। কোভিডের জন্য মাঝে দু-বছর বন্ধ ছিল শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা। কোভিড পরবর্তী সময়েও বিশ্বভারতীর উপাচার্য নানা কারণ দেখিয়ে মেলা করার ক্ষেত্রে তাঁদের অপারগতার কথা বলেছেন। পৌষমেলা পরিচালনা করে শান্তিনিকেতন ট্রাষ্ট। উপাচার্যের ভাব দেখে তারাও গুটিয়ে গেছেন। এই অবস্থায় তৃণমূল পরিচালিত বোলপুর পুরসভা পৌষমেলা করতে চায় বলে বিশ্বভারতীকে চিঠি দিয়েছে। তারা পূর্ব পল্লীর মেলার মাঠ ব্যবহারেরও অনুমতি চেয়েছে। বিশ্বভারতী যদি তাদের মেলার মাঠ না দেয় তাহলে বোলপুরের ডাকবাংলো মাঠেই গতবারের মতো তারা পৌষমেলা করবে বলে জানিয়েছে।
কিন্তু গত বছর ডাকবাংলো মাঠে পৌষ মেলা হলেও তা ঠিক জমেনি বলেই আক্ষেপ সংশ্লিষ্ট সবার। এ অবস্থায় বোলপুরের ব্যবসায়ীরা বিশ্বভারতীর উদ্যোগে পৌষমেলা করার দাবি জানিয়েছেন। এসএফআইয়ের পক্ষ থেকেও শান্তিনিকেতন জুড়ে শুরু হয়েছে প্রচার। তারা চায় বিশ্বভারতীর সহায়তায় শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট মেলা পরিচালনা করুক। অন্য কোনও সংস্থা পৌষমেলা করলে তা গুরুত্বহীন।
‘নিয়ম না মানলে পরীক্ষা বন্ধ করে দেব’, হুঁশিয়ারি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের