
শেষ আপডেট: 18 November 2022 12:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: চাষের জমি জুড়ে পায়ের ছাপ (Leopard Foot Print)। ঝোপ থেকে উদ্ধার খুবলে খাওয়া ছাগল। চিতাবাঘের আতঙ্কে চাষবাস বন্ধ হল তিস্তাপারে।
তিস্তার (Teesta River) পারে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের একটি গ্রাম কঁচুয়া বোয়ালমারি। আলু চাষের জমিতে পায়ের ছাপ দেখে চিতাবাঘের আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছে গোটা গ্রাম। খবর পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থলে যান বন দফতরের কর্মীরা। পাগমার্ক পর্যবেক্ষণ করে তাঁরা একরকম নিশ্চিত হন, সেটি চিতাবাঘেরই পায়ের ছাপ। এরপর খাঁচা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় বন দফতর।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারই চিতাবাঘের উপস্থিতি টের পেয়েছে গ্রামবাসীরা। প্রথমে আলু চাষের জমিতে জন্তুর পায়ের ছাপ দেখতে পান তাঁরা। পরে স্থানীয় এক মহিলা তার বাড়ির গরু ও ছাগলকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য তিস্তা পারে নিয়ে যান। প্রথমে তিনি ছাগলটিকে রেখে গরুটিকে নদীর চরে বাঁধতে যান। ফিরে এসে দেখেন ছাগল নেই। এরপর খুঁজতে খুঁজতে ঘাস জমি থেকে ছাগলের খুবলে খাওয়া দেহ উদ্ধার করেন।
বোলপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হইহই করে চলছে পিকনিক! চক্ষু বিভাগে ডাক্তার নেই, ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা
বিকেল নাগাদ তিস্তার বাঁধের রাস্তা দিয়ে মোটরবাইক চালিয়ে যাওয়ার সময় এক যুবক বড়সড় একটি চিতাবাঘ দেখেন বলে দাবি করেন। চিতাবাঘটি তাঁর বাইকের সামনে দিয়ে লাফিয়ে দ্রুত বাঁধ পার হয়ে ঘাস জমিতে চলে যায়। তার ছবি তোলে ওই যুবক। এরপরই আতঙ্ক গ্রাস করে গোটা এলাকায়। শুভাশিস সরকার নামে ওই যুবক বলেন, “ওটি যে একটি বড়সড় চিতাবাঘ সেই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। কারণ জন্তুটির গায়ের রঙ ছিল হলুদ। সারা গায়ে কালো ছোপ। আমিএকজন ড্রাইভার এবং প্রায়ই টুরিস্ট নিয়ে জঙ্গলে যাই। আগেও চিতাবাঘ দেখেছি।”
এলাকার কৃষক রঞ্জিত সরকার জানান চিতাবাঘের আতঙ্কে চাষবাস বন্ধ করে দিয়েছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার সন্ধে থেকে গ্রামের কেউ ঘুমায়নি। চিতাবাঘটি ধরা না পড়া পর্যন্ত এই ভয় কাটবে না।
সৌভিক মণ্ডল নামের এক বনকর্মী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা চিতাবাঘটিকে ধরার জন্য এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছেন। খাঁচাও পাতা হবে