
শেষ আপডেট: 10 July 2023 14:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার দুপুর ৩টে। রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) পুনর্নির্বাচন শেষের পথে। ব্যস্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের দফতরের কর্মীরাও। ১৭৫ কিলোমিটার পথ উজিয়ে আচমকা সেখানে হাজির মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ নম্বর ব্লকের কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক সিপিএম প্রার্থী (Left Candidate)। তাঁদের মধ্যে দু’জন মহিলা। তাঁদের অভিযোগ, শনিবার বেলা ১২টার পর থেকে তাঁদের বুথে ভোট করার মতো পরিস্থিতি ছিল না। বুথের দায়িত্বে ছিল না কেন্দ্রীয় বাহিনীও। তাহলে তাঁদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে না?
বিষয়টি প্রকাশ্য আসতেই হইচই পড়ে যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের দফতরে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা থেকে এদিন কলকাতায় কমিশনারের অফিসে হাজির হয়েছিলেন মাসুদা খাতুন, সাবিনা ইয়াসমিন বিবি-সহ ৩ জন সিপিএম প্রার্থী (Left Candidate)। তাঁরা তিনজনেই বেলডাঙা-২ নম্বর ব্লকের কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এবারের ভোটে পঞ্চায়েতে প্রার্থী। এলাকাটি রেজিনগর থানার অন্তর্গত। ভোটের দিনে একাধিক হিংসার ঘটনার জেরে বারে বারে শিরোনামে এসেছিল রেজিনগর।
মাসুদা খাতুন, সাবিনা ইয়াসমিনরা (Left Candidate) বলেন, শনিবার ভোটের দিন বেলা ১২টা পর্যন্ত ভোট হয়। তারপর তৃণমূলের কর্মীরা তাঁদের আটকে দেয় এবং বুথের দখল নিয়ে নেয়। এমনকী দুষ্কৃতীরা ব্যালট পেপার স্কুলের পিছনে ফেলে দেয় বলেও এদিন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন তাঁরা। মাসুদা, সাবিনারা জানান, “রবিবার রাতে টিভির খবর থেকে জানতে পারি, গোলমাল হয়েছে রাজ্যের এমন ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। আমাদের বুথের অনেক ভোটার তো হিংসার কারণে ভোটই দিতে পারেননি। তাহলে আমাদের বুথে পুনর্নির্বাচন হবে না কেন?”
কমিশনের তরফে ওই প্রার্থীদের অবশ্য বলা হয়, তাঁদের অভিযোগ লিখিতভাবে জানাতে। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগকারীরা সঙ্গে করে লিখিত অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। সেগুলি কমিশনের অফিসে জমা দিয়ে ‘রিসিভ’ কপিও সংগ্রহ করে নেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কমিশনের কাছ থেকে সুবিচার না পেলে আগামীদিনে আদালতের দ্বারস্থ হবেন।
আরও পড়ুন: ‘দিদি মোদীর সেটিং আছে, খোকাবাবু তুমি কিচ্ছু জানো না’ শুভেন্দুকে খোঁচা অধীরের