দ্য ওয়াল ব্যুরো, বর্ধমান: জিএসটির দাপট তো ছিলই, তার উপর যোগ হয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি। পরিবহণের খরচ বাড়তেই দাউ দাউ করে জ্বলছে লক্ষ্মীর বাজার। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জনগেটের বাজারে গেলেই আঁতকে উঠতে হয়। মা লক্ষ্মী যে একেবারেই সহায় নন। বাজার ঘুরেও মিলল না স্বস্তি, মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কপালে ভাঁজ, এবার কি তবে নমঃ নমঃ করেই সারতে হবে লক্ষ্মী পুজো। প্রশ্নের উত্তর মিলল না গোটা বাজার ঘুরে, লক্ষ্মী ঠাকুরের মূর্তি থেকে ফল, ফুল বাকি সামগ্রী ছুঁলেই ছ্যাঁকা খাচ্ছেন ক্রেতারা।
কোজাগরী লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে উঠেছেন বাংলাদেশের হিন্দুরাও
মঙ্গলবার কার্জন গেটের অধিকাংশটাই ছিল লক্ষ্মীর পসরায় রঙিন। ছোট, বড় মূর্তির দাম ৬০ টাকা থেকে শুরু, ৭০০-৮০০ ছাড়িয়ে ১২০০। ক্রেতাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এই বছরে অন্তত ৩০-৪০ টাকা দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, বিক্রিতে টান না পড়লেও ১২০০ টাকার মূর্তির বিক্রি অনেক কম। ছোট্ট লক্ষ্মীকেই ঘরে তুলছেন বেশিরাভাগ ক্রেতা।

ফল-ফুলের দামও বেশ চড়া। কেজি প্রতি ৮০ টাকার আপেল, ৫০ টাকার শসা, ৬০ টাকার কুল, ৬০ টাকার মৌসম্বি লেবুর গর্জনে দিশেহারা মা লক্ষ্মী মধ্যবিত্ত ভক্তরা। অবশ্য, কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোয় খামতি না রেখেই আগুন বাজারেই তাড়িয়ে পুজোর জোগার চলছে। রাত পোহালেই ঘর আলো করে লক্ষ্মী আসবেন, সংসারের শান্তি কামনায় সেই পুজোয় তাই খামতি রাখতে চান না ভক্তরা।