দ্য ওয়াল ব্যুরো, মধ্যমগ্রাম: ১০ মাস পর আজ শুক্রবার থেকে পুরনো ছন্দে ফিরেছে রাজ্যের সবকটি স্কুল। আর এই মধ্যেই ঘটেছে ছন্দপতন। বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জ খেয়ে ছিল বামেরা। আর এর প্রতিবাদে স্কুল খোলার দিনই রাজ্যে বনধ ডাকে বাম-কংগ্রেস সংগঠন। ফলে বনধকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার হল মধ্যমগ্রাম হাইস্কুল চত্ত্বর। অভিযোগ, বাম ছাত্র-যুব নেতারা এদিন স্কুল বন্ধ করার চেষ্টা করেন। তাতে বাধা দেয় পুলিশ। কিন্তু পুলিশের বাধায় কাজ না হওয়ায়। তাতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। পরে বনধ সমর্থকদের ওপর পুলিশকে লাঠিচার্জও করতে হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন বনধ সমর্থক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন রাজ্যের সমস্ত স্কুলের মতোই মধ্যমগ্রাম হাইস্কুলেও পড়াশোনা শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীরা এদিন স্কুলে সময়মত উপস্থিত হয়েছিল। শিক্ষক ও শিক্ষিকারাও স্কুলে যোগ দিতে এসছিলেন। স্কুলের হাজিরও ছিল ভালো। তবে হঠাৎই স্কুল বন্ধ করার জন্য চড়াও হন বাম সমর্থকরা। তাঁরা পঠন-পাঠন বন্ধ করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে থাকেন। তাতে স্কুল কর্তৃপক্ষ রাজি হয়নি। ফলে জোর করে স্কুলের গেট বন্ধ করার চেষ্টা করে সমর্থকরা। কিন্তু এদিকে বিষয়টি মধ্যমগ্রাম থানাকে জানাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। প্রথমে সমর্থকদের তাঁরা বোঝাবার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমর্থকরা তা মানেননি বলে অভিযোগ। তাতে শুরু হয় হাতাহাতি। পুলিশ বাধ্য হয়ে স্কুলের সামনে থেকে আন্দোলনকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জ করে।
এদিকে স্কুলের সামনে আন্দোলনকারী-পুলিশের এই সংঘর্ষে নিন্দা জানিয়েছে বাম যুব ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের একাংশ। তাদের দাবি, স্কুল চালু রাখার জন্য পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করতে পারেনা। এদিকে মধ্যমগ্রাম পুলিশ জানিয়েছে, '' আন্দোলনকারীরা কিছুতে ক্লাস চালু করতে দিচ্ছিল না। এছাড়া স্কুলের সামনে উত্তেজনা তৈরি করার চেষ্টা করছিল। পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকারাও ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তাই বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে আন্দোকারীদের ওপর।''