
শেষ আপডেট: 9 September 2023 02:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাস কয়েক আগেই গড় শালবনিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা সহ তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল কুড়মি আন্দোলনকারীদের (Kurmi protest) বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পরেই উত্তরবঙ্গে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল কুড়মি আন্দোলনের নেতা রাজেশ মাহাতোকে। কিন্তু সেই ঘটনার এতদিন পর তাঁর বদলির নির্দেশ (Rajesh Mahato transfer) প্রত্যাহার করে নিল সরকার।
রাজেশ পেশায় শিক্ষক। তিনি খড়্গপুরের।বানাপুর হাইস্কুলের ইংরেজি ভাষার শিক্ষক ছিলেন তিনি। মে মাসে ঝাড়গ্রামে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলার ঘটনার পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজেশকে। সেই ঘটনায় ঢিল মেরে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ির কাচ। বীরবাহা নিজে অভিযোগ করেছিলেন, গাছের আড়াল থেকে এই হামলা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাজেশ। সেই ঘটনার পরেই কোচবিহারের চামটা আদর্শ হাইস্কুলে বদলি করে দেওয়া হয় রাজেশকে। ৩ দিনের মধ্যে তাঁকে নতুন জায়গায় গিয়ে চাকরিতে যোগ দিতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
শিক্ষা দফতরের তরফে এই বদলিকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলে দাবি করা হলেও বিরোধীদের দাবি ছিল, আন্দোলনেরই মাশুল দিতে হল রাজেশকে। কিন্তু তাঁর সেই বদলির সিদ্ধান্ত হঠাৎই প্রত্যাহার করে নিল শিক্ষা দফতর। ফের খড়্গপুরের পুরনো স্কুলেই তাঁকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
কিন্তু কেন হঠাৎ বদলির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার?
উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের আগে ফের নতুন করে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কুড়মি সমাজ। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া জেলায় কালা দিবস পালনের ডাক দিয়েছিল কুড়মিরা। সেই আন্দোলনে ভাষণ দেওয়ার সময় কুড়মি নেতা সুরজিৎ মাহাতো সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের গাছে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। তিনি সাফ জানান, কুড়মিদের সমস্ত রকম সুযোগ, উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। তাই এরপরেও উন্নয়ন না হলে রাজনৈতিক দলের নেতারা গ্রামে ঢুকলেই গাছে বেঁধে রাখার নিদান দেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে রাজেশকে পুরনো স্কুলে ফিরিয়ে আনা কি নির্বাচনের আগে সরকারের তরফে সাদা পতাকা দেখানো? তার উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।
গার্লস স্কুলগুলিতে বসবে সিসি ক্যামেরা, অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে সিদ্ধান্ত শিক্ষা দফতরের