
শেষ আপডেট: 2 April 2023 12:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার তৃণমূলের নিশানায় প্রাক্তন বাম মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু (Jyoti Basu) ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharyay)। অভিযোগ, ডাক্তারি পড়ার ক্ষেত্রে অনৈতিক কোটা কাজে লাগিয়ে, জয়েন্ট এনট্রান্সে পাশ না করা অযোগ্যদের পড়ার সুযোগ পাইয়ে দিয়েছেন তাঁরা।
দিন কয়েক ধরেই বাম জমানায় কারা কারা অনৈতিক ভাবে 'চিরকুটে' চাকরি পেয়েছেন, তাই নিয়ে তর্কবিতর্ক ঘনিয়েছে। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রী মিলি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চিরকুটে চাকরি পাওয়ার পাশাপাশি, পরিবারের ১৩ জন সদস্যের সরকারি চাকরি পাওয়ার বিষয়টি এই প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে আনেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।
এর পরেই কুণাল ঘোষ আচমকা টুইট করে প্রশ্ন তুলে বসেন, বাম যুবনেতা শতরূপ ঘোষ নির্বাচনী হলফনামায় যেখানে বলেছেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ২ লক্ষ টাকা, সেখানে তিনি ২২ লাখ টাকার এসইউভি গাড়ি চড়েন কীভাবে। এই প্রশ্নের উত্তর শতরূপ হিসেব দিয়ে মেটালেও, শান্ত হননি কুণাল। এবার ফের উঠেপড়ে লাগলেন বামফ্রন্ট জমানার ত্রুটিবিচ্যুতি নিয়ে।
রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ এবার নতুন টুইট করে নিশানা করেছেন সিপিএমের দুই মুখ্যমন্ত্রীর শাসনকে। কুণাল লিখেছেন, ‘বামফ্রন্ট জমানায় ডাক্তারি পড়তে মুখ্যমন্ত্রীর কোটা ছিল। এই কোটা ২০১১-র পর তুলে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাম জমানায় মুখ্যমন্ত্রীর কোটায় ক’জন এবং কারা ডাক্তারি পড়েছিলেন, অধিকাংশই জয়েন্টে না পেয়েও কোটায় ঢোকার অভিযোগ উঠত কেন, সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করুক সিপিএম।’
অর্থাৎ, সরাসরি বামফ্রন্ট সরকারের দুই মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ডাক্তারিতে ভর্তির ব্যাপারে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন কুণাল।
কুণালের অভিযোগ প্রসঙ্গে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, "যারা কিছু জানে না, তারা এরকম ভুলভাল, হাস্যকর কথা বলে। মেডিক্যালে মুখ্যমন্ত্রীর কোটা ছিল স্বাধীনতার পর থেকেই। জ্যোতিবাবুর আমলে, সম্ভবত ৮৬-৮৭ সালে তা তুলে দেওয়া হয়েছিল। ফলে এটি মুখ্যমন্ত্রীর কৃতিত্ব নয়, বুদ্ধবাবুরও কৃতিত্ব নয়। এটা তার আগেই উঠে গেছে। ফলে এইসব কেল্টু-বল্টুর কথায় উত্তর দেব কেন? মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে। আগে করুক তারপর দেখা যাবে।"
রাজু 'কয়লা মাফিয়া', ওঠাবসা দিলীপ ঘোষদের সঙ্গে, দাবি বাবুলের, ভাল ব্যবসা করত: অর্জুন