
শেষ আপডেট: 4 November 2022 10:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শারীরশিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক পদে ১০১৯ জনের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছে (Recruitment Dispute)। অভিযোগ, এই ১০১৯ জনের মধ্যে বেআইনি ভাবে অনেককে নিয়োগ করা হয়েছে। এর প্রতিবাদেই ধর্নায় বসেন অন্য চাকরিপ্রার্থীরা। এর পরেই সেই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থেকে ৮৫০ জনকে চাকরি দিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC )। তাই নিয়েই ফের মামলা দায়ের হয়েছে আদালতে (Kolkata Highcourt)।
আজ, শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু প্রশ্ন তোলেন, 'হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ধর্না দিতেই তাঁদের জন্য ভবিষ্যতের শূন্যপদ তৈরি হয়ে গেল? এমনকি চাকরিও দিয়ে দিল স্কুল সার্ভিস কমিশন? বাকি যোগ্য প্রার্থীরা তাহলে কোথায় যাবেন?'
ঠিক কী ঘটেছিল?
২০১৬ সালে শারীরশিক্ষা বিষয়ে ১০১৯ জনকে নিয়োগের সুপারিশপত্র দেয় এসএসসি। এর পরেই চাকরি না পাওয়া কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ তোলেন, কম নম্বর থাকা সত্ত্বেও চাকরি পেয়েছেন অনেকে। এই অভিযোগ তুলে ধর্নাতেও বসেন তাঁরা।
এর পরেই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থেকে ৮৫০ জনকে চাকরি দেয় এসএসসি। কিন্তু কেন ওই ৮৫০ জন চাকরি পেল, সেই প্রশ্ন তুলে শুভজিৎ রায়, চন্দ্রকান্ত মণ্ডল-সহ বেশ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী শুক্রবার এই বিষয়টি নিয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁদের মামলা করার অনুমতি দেন বিচারপতি বসু। আগামী বুধবার মামলাটির শুনানি হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিন আদালতে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় সওয়াল করেন, 'ধর্না, বিক্ষোভ করেছিলেন এমন ৮৫০ জনকে সম্প্রতি ভবিষ্যতের শূন্যপদ থেকে নিয়োগ করা হয়েছে। বাকি যোগ্যরা এ নিয়ে জানতেই পারেননি। তাঁদের অন্ধকারে রেখে নিয়োগ করা হয়েছে। এসএসসি-র উচিত ছিল এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সবাইকে সুযোগ করে দেওয়ার। তা না করে, ইচ্ছেমতো যেমন খুশি নিয়োগ করা হল।'
ছিলেন মাংস বিক্রেতা, একদিনে কোটিপতি হলেন! তাও মাত্র ১৫০ টাকার বদলে