
শেষ আপডেট: 15 March 2022 15:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ে, আকাশছোঁয়া বাড়িতে থেকে বা অনেক দূরের কোনও তারকা হয়ে নয়, জনসংযোগ করতে হবে মাটিতে পা রেখে, সাধারণ মানুষের মাঝে সাধারণ মানুষের মতো মিশেই। এ কথা দলীয় বৈঠকে বারবারই বলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রীর সেই বার্তাই যেন ফুটে ওঠে মুর্শিদাবাদের কান্দির তৃণমূল বিধায়ক (Kandi MLA) অপূর্ব সরকারের জীবনযাপনে। তাঁর ডাক নাম ডেভিড। এই নামেই তিনি পরিচিত এলাকাবাসীর কাছে। এক সময়ে কংগ্রেসের হয়ে বিধায়ক হলেও, এখন তিনি তৃণমূলের। এখনও ডেভিডকে মোটরবাইকে করেই বিধানসভায় আসতে দেখা যায়, ফেরেনও তাই।
বিধায়ক বা কোনও রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধির পর্যায়ে পৌঁছনো মানেই যেন অতিবিলাসী এক উচ্চবিত্ত জীবনযাপন। তিনি যেন আর সাধারণ কোনও মানুষ নন। এলাকার প্রান্তিক, গরিব মানুষজনের যেন তাঁর কাছে পৌঁছনো আর সহজ নয়। সপ্তাহে একদিন বা দু'দিন হয়তো সুযোগ মেলে, তাঁর সঙ্গে দেখা করার। তাও দীর্ঘ অপেক্ষার পরে। এমনই একটা ধারণা রয়েছে সারা রাজ্যে বা সারা দেশেই।
এই ধারণাই ভাঙতে চেয়েছেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজে। তাঁকে প্রায়ই দেখা গেছে, রাজ্যের নানা প্রান্তে রাজনৈতিক সফরে গিয়ে কখনও চায়ের দোকানে চা বানিয়েছেন, কখনও বা দাওয়ার ধারে বসে গল্প করেছেন মহিলাদের সঙ্গে। তিনি এই বার্তাই দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি হলে জনসাধারণের মধ্যেই থাকতে হবে।

এমনটাই যেন পালন করছেন কান্দির বিধায়ক ডেভিড (Kandi MLA)। তবে তিনি অবশ্য এত কিছু ভেবে এই কাজ করেন তা নয়। তাঁর মোটরবাইক চড়তে ভালই লাগে। তিনি বলেন, "আমি বাইক নিয়েই এলাকায় ঘুরি। বাইক নিয়ে এলাকার অলিগলিতে যাই। সেই অভ্যেসটা আছে আমার। তাই বিধানসভাতেও বাইকে যাতায়াত করি।" শুধু তাই নয়, কলকাতায় থাকুন বা কান্দি তিনি সবসময় নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াই ঘোরাঘুরি করেন। এই সাধারণ জীবন যাপনই তিনি পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন।
অপূর্ব সরকার তথা ডেভিডের (Kandi MLA) এই সাধারণ জীবনযাপনের প্রশংসা করেন দলের অন্য নেতারাও। বিধায়ক হলে তো এলাকাবাসীর সমস্যার খবর রাখা প্রাথমিক কর্তব্য। সে খবর নিজে ঘুরে দেখতে পারলে মানুষের কাছে ইতিবাচক বার্তা যায়। ডেভিড সেই পথেরই পথিক।
জোর করে নাবালিকার বিয়ে দিচ্ছিল বাবা-মা, বন্ধুদের মারফত খবর শিক্ষককে, তারপর…