
শেষ আপডেট: 29 April 2023 02:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কালিয়েগঞ্জে (Kaliagunj) মৃত নাবালিকার দেহ (girl deadbody) টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া ও তাকে কেন্দ্র করে বেড়ে ওঠা অশান্তির জেরে এবার সরিয়ে দেওয়া হল ওসি-কে (Kaliagunj OC Transferred)। রায়গঞ্জের কালিয়াগঞ্জ থানার ওসি দীপাঞ্জন দাসকে সরিয়ে দিয়ে পাঠানো হল শিলিগুড়ি জিআরপি-তে। তাঁর বদলে, শিলিগুড়ি জিআরপি থেকে কালিয়াগঞ্জে নতুন পোস্টিং পেয়ে এলেন সুবলচন্দ্র ঘোষ।
এর আগেই এই ঘটনায় চার জন এএসআই পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলবে বলেও জানিয়েলেন জেলার পুলিশ সুপার সানা আখতার। এবার আরও বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন।
গত সপ্তাহের শুক্রবার, ২১ এপ্রিল আসল ঘটনাটি ঘটেছিল। কালিয়াগঞ্জে এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখান বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যরা। সিবিআই তদন্তেরও দাবি ওঠে। এসবেরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও।
তাতে দেখা যায়, ওই নাবালিকার দেহ রাস্তায় ফেলে, বাঁশে বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে কয়েকজন পুলিশকর্মী। এর ফলে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ঘটনার পরে যত সময় যায়, ততই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন মৃতার পরিজন ও এবিভিপি সমর্থকরা।
এর পরে সোমবার জেলা পুলিশ সুপার সানা আখতার সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, নাবালিকার দেহ টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় চার জন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও করা হবে। এতে অবশ্য বিজেপি খুশি হয়নি, তারা দাবি করে, পুলিশ সুপারেরই সাসপেন্ড হওয়া প্রয়োজন, কারণ ওই চার নিচুতলার পুলিশকর্মী যা করেছেন তা উপরমহলের নির্দেশেই করেছেন। উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বাঁচাতে নিচুতলার পুলিশকর্মীদের বলির পাঁঠা করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
শেষমেশ সরানো হল ওসি-কে। এর পরে এই কাণ্ডের জের কোথায় গড়ায়, সেটাই দেখার।
বকেয়া ডিএ-সহ ৯ দফা দাবি, জলপাইগুড়িতে ধর্নায় বসলেন বামপন্থী সরকারি কর্মীরা