
শেষ আপডেট: 24 April 2023 10:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: কালিয়াগঞ্জকাণ্ড (Kaliaganj Case) নিয়ে ফের সংঘাতে দুই শিশু সুরক্ষা কমিশন (Child Protection Commission)। এই ঘটনাতেও রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ আনলেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো।
তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনাতেও কোনও সহযোগিতা করছে না স্থানীয় প্রশাসন। তাঁদের হাতে অফিসিয়ালি কোনও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। ঘটনার ময়নাতদন্তে যে তিনজন চিকিৎসককে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু একজন চিকিৎসকই তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। বাকি দু’জনকে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়, এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে ডিএসপিকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন চেয়ারপার্সন। কিন্তু এডিএম ফোন করে ডিএসপিকে সার্কিট হাউসে আসতে দেননি।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্য নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশন। কমিশনের প্রতিনিধিরা জানান, এই ঘটনার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রিয়াঙ্ক কানুনগোর হোয়াটস অ্যাপে পাঠানো হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক মানস মণ্ডল, রায়গঞ্জের এসডিও কিংশুক মাইতিও তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের চিকিৎসক ভাস্কর জ্যোতি দেবনাথও সেখানে উপস্থিত ছিলেন এদিন। তিনি সমস্ত ঘটনা জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনকে জানিয়েছেন।
রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরা আরও জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্টে এটা পরিষ্কার যে ওই নাবালিকার বিষক্রিয়াতে মৃত্যু হয়েছে। শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই।
যদিও রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের এই কথা একেবারেই মানতে নারাজ জাতীয় সুরক্ষা কমিশন। তাদের দাবি, এই রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা তলানিতে ঠেকেছে। ঘটনাগুলির সঠিক তদন্ত হচ্ছে না। ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা সেই বিষয়টি পরিষ্কার করে জানতে তারা নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে।
এর আগে গাজল ও তিলজলা কাণ্ডে রাজ্য ও জাতীয় কমিশনের মধ্যে একই ধরনের সংঘাত দেখা গিয়েছিল। সেই তরজা বহাল রইল কালিয়াগঞ্জকাণ্ডেও।
রাহুলের পর সিদ্ধারামাইয়া, সেই কর্নাটকেই নেতার বেফাঁস মন্তব্যে বিপাকে কংগ্রেস