
শেষ আপডেট: 21 October 2022 13:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ দিনাজপুর: বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চল হিলি (Hili)। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদীর তীরে একসময় চলত শিবের উপাসনা। শিবের নাম অনুসারের ওই এলাকার নাম হয় ভৈরবতলা। পরে শিবের সঙ্গে পূজিতা হতে থাকেন কালীও (Kali Pujo 2022)। দুশো বছর ধরে এই জায়গায় ভৈরবী কালীর পুজো হয়ে আসছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই পুজো ঘিরে আগে হিন্দু-মুসলমান সকলেই মেতে উঠতেন। সীমান্ত পেরিয়ে কালীপুজো দেখতে আসতেন ওপার বাংলার বহু মানুষ। তবে সরকারি কড়াকড়িতে এখন সেসব বন্ধ।
এলাকায় শিবের উপাসনা থেকে ভৈরবী কালীপুজো শুরু হওয়া নিয়ে রয়েছে বিস্তর ইতিহাস। শোনা যায়, এই স্থানেই একসময় তন্ত্র সাধনা করতে এসেছিলেন দুর্গা চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। সেখানে তিনি একটি মন্দিরও গড়ে তোলেন। তারপর থেকে ভৈরবী কালীপুজোর প্রচলন শুরু হয় সেখানে।
এই পুজো ঘিরে নানান অলৌকিক ঘটনা জড়িয়ে রয়েছে। তাই রীতিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। তন্ত্র মতে পূজিতা হয়ে আসছেন মা ভৈরবী কালী। ছাগল বলির প্রথাও রয়েছে। মন্দিরের দশা এখন ভগ্নপ্রায়। দুর্গা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর সমস্ত দায়ভার যায় তাঁর ছেলে দুলু চট্টোপাধ্যায়ের উপর। কিন্তু দুলুবাবুর মৃত্যুর পর এখন তাঁর শিষ্য ও স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা পুজোর আয়োজন করেন।
৬ বছর পর ফিরল ‘কল্পতরুর বড় কালী’, পুরনো রেকর্ড ভেঙে প্রতিমা এবার ৪০ ফুট