
শেষ আপডেট: 24 May 2023 09:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশে জলপাইগুড়ির সমাজসেবী দম্পতির আত্মহত্যার (Jalpaiguri couple suicide) তদন্তে এলেন পুলিশকর্তা কে জয়রামন (K Jayaraman)।
পয়লা এপ্রিল জলপাইগুড়ি শহরের পান্ডাপাড়া রোডের বাড়ি থেকে মেলে এলাকার বাসিন্দা সমাজসেবী সুবোধ ভট্টাচার্য এবং জলপাইগুড়ি পৌরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবী অপর্ণা ভট্টাচার্যের দেহ। তাঁরা কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেন বলে জানায় পুলিশ। ভট্টাচার্য্য দম্পতি সম্পর্কে ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক শিখা চ্যাটার্জীর ভাই ও ভাইবউ।
এই রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় জলপাইগুড়িতে। ওই দম্পতি তাঁদের সুইসাইড নোটে জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জি, এক তৃণমূল কাউন্সিলর ও দুই তৃণমূল কর্মী সহ মোট চারজনকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করেন। সেই সুইসাইড নোটও পুলিশ দম্পতির বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। দোসরা এপ্রিল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি বিধায়ক শিখা চ্যাটার্জী। পরে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্ত চেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন।
জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে দু’দিন শুনানির পরেই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে মামলা স্থানান্তর করা হয়। শুনানির পর বিচারপতি মান্থা পুলিশকর্তা কে জয়রামনকে এই ঘটনার পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। জলপাইগুড়ি এসে বিজেপি বিধায়ক শিখা চ্যাটার্জী এবং মৃত দম্পতির মেয়ে তানিয়া ভট্টাচার্যকে ডেকে পাঠান তিনি। ডাক পেয়ে পুলিশ গেস্ট হাউজে যান তাঁরা। সেখানেই ওই দুজনের সঙ্গে কথা বলেন ওই পুলিশকর্তা।
এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সৈকত চ্যাটার্জি হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত জলপাইগুড়ি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সন্দীপ ঘোষ এবং সোনালী বিশ্বাস নামে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন। মনোময় সরকার নামে অপর এক অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী এখনও পলাতক।
চলন্ত বাইক থেকে তৃণমূল নেতাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! ইন্দাসে উত্তেজনা