
শেষ আপডেট: 21 September 2023 12:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলের অনুমোদন না থাকায় বিপাকে পড়েছিল কলকাতা শহরের এক বেসরকারি স্কুলের (kolkata school case) দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা। ৩০০ জন পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশে সেই জট কাটল। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু (Justice Biswajit Basus order) বলেন, ওই পড়ুয়াদের পরীক্ষায় বসার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
হাইকোর্ট এই মামলায় একজন স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করেছিল। তাঁর ওপর দায়িত্ব ছিল, অভিযোগ খতিয়ে দেখার। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্ট নিয়োজিত স্পেশাল অফিসার জানান, তাঁকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ।
স্কুলের আইনজীবী বলেন, 'আমায় স্কুলের তরফ থেকে দু'জন শিক্ষক মামলার আগে বলেছিলেন স্পেশাল অফিসারকে কিছু টাকা দিলে আমাদের কোন সমস্যায় পড়তে হবে না। আমি তাঁদের তখনই বলি, আমি এই স্পেশাল অফিসারকে চিনি। উনি কোনওদিন টাকা নেবেন না।'
রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, 'ওই স্কুলে যে বাচ্চারা আছে তাদের কেরিয়ারের কী হবে? আমাদের কেন আদালতে আসতে হল? স্কুলের যদি বোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে স্কুল আগে কেন এল না? শিক্ষকরা আমাদের গুরু। আমাদের শত্রু নয়।'
আদালত এই মামলার শুনানি শেষে নির্দেশ দেয়, পড়ুয়ারা যাতে পরীক্ষায় বসতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। তা নিয়ে স্কুল কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তা হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে। সেইসঙ্গে এই মামলায় কলকাতা পুরসভাকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বসু। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাচ্চাদের কোনও সমস্যা হলে তার দায় থাকবে স্কুলের। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৪ অক্টোবর।
আরও পড়ুন: ভগবানপুরের স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের নগ্ন করে ভিডিও করল সিনিয়ররা, মুখে বই গুঁজে পেটাল